টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বিপিএল যজ্ঞে মুখরিত মিরপুর

BPL+logoচট্টগ্রাম, ১৯ নভেম্বর (সিটিজি টাইমস):   মিরপুরের আকাশে-বাতাসে এখন বিপিএল বিপিএল ঘ্রাণ। ক্রমে সেই ঘ্রাণ সঞ্চারিত হচ্ছে পুরো দেশে। অধিকাংশ বিদেশি খেলোয়াড় ইতিমধ্যে এসে গেছেন। দেশিরা তো রীতিমতো রোমাঞ্চে আছেন। কেউ কেউ এই আসরটাকে জাতীয় দলে ফেরার মঞ্চ হিসেবে নিয়েছেন।

শুক্রবার জমকালো উদ্বোধনীর পর বল মাঠে গড়াবে রবিবার।

গতকাল মিরপুরের একাডেমি মাঠে রংপুর রাইডার্সকে নিয়ে প্রাকটিসে আসেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ শেন জার্গেনসেন। পুরটা সময়ই ব্যস্ত থাকলেন অনুশীলনে। ফেরার পথে জানালেন, বাংলাদেশ তার মনে অনেকটা যায়গা জুড়ে রয়েছে। বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে নাকি এখনো নিয়মিত যোগাযোগ হয় এই অস্ট্রেলিয়ানের। বোলিং কোচ থেকে হেড কোচ হওয়ার দিনগুলোতে অনেকেই তাকে আপন করে নিয়েছিলেন।

প্রাকটিস শেষে সিলেটের অধিনায়ক মুশফিক বলেন, ‘যারা জাতীয় দলে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করছে, তারাই বিপিএলে খেলবে। সুতারং এখানে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।’ নিজের দলে তেমন একটা সমস্যা নেই। এখন রুবেল ফিট হয়ে ফিরলেই নিশ্চিত হন তিনি, ‘আশা করছি টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি তাকে আমরা পাব। এখনো একটু সমস্যা ওর আছে।’ গত আসরে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। এবারও দলের জন্য একই রকম অবদান রাখতে চান, ‘দলের জন্য আমি আমার সর্বোচ্চটাই দেয়ার চেষ্টা করব।’

জাতীয় দলের বাইরে থাকাদের জন্য বিপিএলকে চাবি বলে মনে করছেন বরিশালের শাহরিয়ার নাফিস, ‘আমরা যারা অনেক দিন জাতীয় দলের বাইরে আছি, তাদের জন্য বিপিএলটা জাতীয় দলের ফেরার চাবি হতে পারে। সবাই বিদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিশতে পারবে। অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।’

তরুণরাও একটা কিছু করে দেখানোর তাগিদে আছেন। তাদেরই একজন কামরুল ইসলাম রাব্বি। জিম্বাবুয়ে সিরিজে জাতীয় দলে ডাক পেলেও মাঠে নামা হয়নি তার। বললেন, ‘সামনে জাতীয় দলের প্রচুর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আছে। তাই বিপিএলকে আমি পাখির চোখ করেছি। একটা কিছু করে দেখাতে চাই।’

বিপিএলের নয়া এই আসর ঘিরে উন্মাদনা আকাশচুম্বী হলেও, চিন্তার অন্ত নেই ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের। বিসিবির নানা পদক্ষেপে গত দুই আসরের মতো এবার আর্থিক ঝামেলা হবে না বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু একটা ‘চাপা ভয়’ অনেকের মাঝে ঠিকই আছে- ‘লোভ’ থেকে ফিক্সিং!

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত