টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ডিগ্রি পাস করে মেডিসিন ও শিশুরোগে অভিজ্ঞ চিকিৎসক!, সাজা

মোবাইল-কোর্টচট্টগ্রাম, ১৭ নভেম্বর (সিটিজি টাইমস):   ওষুধ বিক্রেতা থেকে চিকিৎসক সেজে বসা এক প্রতারককে মুচলেকাসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া বিক্রি নিষিদ্ধ সরকারি ওষুধ ও ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করা এবং সনদ না থাকসহ বিভিন্ন অপরাধে আরও ছয়টি ফার্মেসিকে জরিমানা করে আদালত।

মঙ্গললবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট রুহুল আমিন। এসময় ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট রুহুল আমিন জানান, “নগরীর বাংলাবাজার লাকি ফার্মেসীর ভূয়া ডা. মো. কামরুল ইসলাম রেজাকে অর্ধ লক্ষ টাকা জরিমান করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ভবিষ্যতে এরকম প্রতারনার আশ্রয় নিবেন না এই মর্মে মুচলেকা নেয় হয়।”

ঢাকার একটি কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করা কামরুল ইসলাম রেজা (৪৫) ছিলেন নগরীর একটি ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতা। পরে বছর খানেক ধরে চিকিৎসক সেজে জনসাধারণকে ‘চিকিৎসা’ দিচ্ছিলেন তিনি।

‘ রেজা নামের এই ডাক্তার ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ছয় মাসের প্রশিক্ষন নিয়ে সব ধরনের রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলো, জিজ্ঞাসাবাদে সে কোন প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে পারেনি, তার সাইনবোর্ডে লিখা হয়েছে ‘মেডিসিন ও শিশু রোগে অভিজ্ঞ’ উল্রেখ করেন রুহুল আমিন।

তিনি আরো জানান, সরকারি ঔষধ বিক্রির দায়ে মের্সাস মীরা মেডিকেল হল এর মালিক ঝন্টুদে কে ৩০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও মেসার্স বাবা মালেক শাহ ফার্মেসিকে দশহাজার টাকা, নির্ঝর মেডিকেল হল, পপুলার ফার্মেসি, শাহ আমানত ফার্মেসি ও কাদেরিয়া ফার্মেসিকে প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ফার্মেসীগুলোকে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল, ভারতীয় ওষুধ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকার অপরাধে এ জরিমানা করা হয় বলে জানান রুহুল আমিন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত