টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চার উইকেটের সহজ জয় টাইগারদের

চট্টগ্রাম, ১৩  নভেম্বর (সিটিজি টাইমস):   দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের জন্য ১৩২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চার উইকেট বাকি থাকতেই জয় পেল স্বাগতিক বাংলাদেশ।

ম্যাচের গোড়াপত্তন করে তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয় খুব ভাল না করতে পারলেও শেষটা হল টাইগারীয় ঢঙের। ১৪ বল হাতে রেখে মাশরাফির মারা ছয়ে জয় পেল বাংলাদেশ।

এনামুলের বিদায়ের পর তামিমের সঙ্গে জুটি বাঁধেন সাব্বির রহমান। কিন্তু দলীয় ৪৫ রানে তিনি চিসিরোর বলে এরভাইনের ক্যাচে পরিণত হন। আউট হওয়ার আগে তিনি করেছেন ১৮ রান। মুশফিকুর রহিম আউট হন দুই এবং নাসির ১৬, মিঠুন দাস ১৭ রান করে।

বাংলাদেশের ৪ উকেটের জয়ের দিনে সর্বচ্চ ৩১রান করেন তামিম ইকবাল।

এর আগে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগারদের দলপতি মাশরাফি। টাইগার বোলারদের বোলিং তোপে পড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারের ৩ বল বাকি থাকতেই গুটিয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস। অলআউট হওয়ার আগে জিম্বাবুয়ে ১৯.৩ ওভারে করে ১৩১ রান।

শুরুতেই টাইগার বোলারদের বোলিং তোপে পড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারের ৩ বল বাকি থাকতেই গুটিয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস। অলআউট হওয়ার আগে জিম্বাবুয়ে ১৯.৩ ওভারে করে ১৩১ রান।

টাইগারদের হয়ে বোলিং উদ্বোধন করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই ওপেনার সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে দেন নড়াইল এক্সপ্রেস। ম্যাশের বলে লিটন দাসের তালুবন্দি হয়ে ফেরেন ৫ রান করা রাজা।

পরের ওভারেই আল আমিনের শিকারে সাজঘরের পথ ধরেন আরেক ওপেনার রেগিস চাকাভা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে থাকা মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হন শূন্যহাতে ফেরা চাকাভা।

ওপেনার সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে দিয়ে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আবারো আঘাত হানেন মাশরাফি। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে জিম্বাবুয়ের দলপতি এলটন চিগুম্বুরাকে সরাসরি বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন টাইগার দলপতি। বিদায় নেওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে কোনো রানই আসেনি।

ব্যাটিংয়ের কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেন ক্রেইগ আরভিন এবং শন উইলিয়ামস। স্কোরবোর্ডে ২৮ রান যোগ হতে ইনিংসের নবম ওভারে বোল্ড করে শন উইলিয়ামসকে ফিরিয়ে দেন নাসির হোসেন। ব্যক্তিগত ১৫ রান করে ফেরেন উইলিয়ামস।

ইনিংসের ১৫তম ওভারে এসে আরেকবার উইকেটের দেখা পেল টাইগাররা। ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আউট হওয়ার আগে তিনি ২০ রান করেন। এছাড়া ওয়ালারকে সঙ্গ দিয়ে স্কোরবোর্ডে আরো ৬৭ রান যোগ করেন।

ক্রেইগ আরভিনের বিদায়ের পর নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে আসা লুক জঙ্গোকে এলবির ফাঁদে ফেলেন জুবায়ের হোসেন। জিম্বাবুয়ের ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন তিনি। একই ওভারে এ স্পিনার ফিরিয়ে দেন মাদজিভাকে।

মাত্র ২০ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক হাঁকানো ১৫তম ম্যাচ খেলতে নামা ম্যালকম ওয়ালার ক্যারিয়ার সেরা ৬৮ রান করে মুস্তাফিজের বলে আউট হন তিনি। মাত্র ৩১ বলে ৪টি চার আর ৬টি ছক্কায় ওয়ালার তার ইনিংসটি সাজান। পরের ওভারে আল আমিনের বলে ফেরেন গ্রায়েম ক্রেমার। বোল্ড হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩ রান। ২০তম ওভারে পানিয়াঙ্গারাকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি) সিরিজে প্রথমবারের মতো দলে আসেন এনামুল হক বিজয় এবং জুবায়ের হোসেন লিখন। এ দুই টাইগারদের সুযোগ দিতে জায়গা ছেড়েছেন ইমরুল কায়েস এবং আরাফাত সানি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত