টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

৭০% আসন পেয়ে জয়ের দাবি সুচির দলের

চট্টগ্রাম, ০৯ নভেম্বর (সিটিজি টাইমস): মিয়ানমারে সাধারন নির্বাচনে ৭০ শতাংশ আসন পেয়ে জয়ের দাবি করেছে অং সাং সুচির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডিপি)।

মিয়ানমারের ইতিহাসে গত ২৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গতকাল গণতান্ত্রিক উপায়ে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখনও চলছে ভোট গণনা। আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টায় ফলাফল ঘোষণার কথা থাকলেও, হঠাৎই অনিবার্য কারণে ফলাফল ঘোষণার সময় পিছিয়ে দেয়া হয়। হঠাৎ সময় পেছানোয় জনমনে ভোটের ফলাফল নিয়ে নতুন সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

নির্বাচনের পর থেকেই ধারনা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিনের সেনা শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে অং সাং সুচির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডিপি)।তবে চূড়ান্ত ফলাফলের আগে কিছুই বলতে নারাজ দেশটি।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক এনএলডিপি-র সমর্থকরা বেশি ভোটের প্রত্যাশা করে রাত থেকেই দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে শুরু করে। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিজয় অর্জন করা ছিল তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

১৯৯০ সালের পর এই প্রথম মুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভিত্তিতে নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ ছিল ব্যাপক। পর্যবেক্ষকরা বলেন, ৮০ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতি ছিল ভোট কেন্দ্র। একজন ভোটার বলছেন “এখন যা হচ্ছে দেশে সেটা নতুন নেতা এসে পরিবর্তন করে দেবেন। আমি মনে করি যে সরকার গঠন করবেন তিনি আমাদের জন্য সর্বোচ্চ ভাল ব্যবস্থা করবেন”।

এনএলডিপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে ৬৭ শতাংশ আসনে জয়ী হতে হবে। কারণ পার্লামেন্টের এক চতুর্থাংশ আসন সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। আর বর্তমান ক্ষমতাসীন ও এনএলডিপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল ইউএসডিপি পার্টি সেনা সমর্থিত। কিন্তু বর্তমানে সুচির দলের দাবি তারা ৭০ শতাংশ আসনে জয়লাভ করেছে। সুতরাং একক সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনে আর কোনো বাধা রইল না দলটির জন্য।

এই নির্বাচনে ৯০ টির বেশি দল থেকে ছয় হাজারের বেশি প্রার্থী অংশ নেন। তবে যদি এনএলডিপি জয়ী হয় তারপরেও দেশটির সংবিধানের একটি ধারা অনুযায়ী সু চি নিজে প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না – কারণ তার দুই সন্তান ব্রিটিশ নাগরিক।

মতামত