টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সীতাকুণ্ডে লাইসেন্সবিহীন জ্বালানী তেলের দোকানের ছাড়াছড়ি

 মো. ইমরান হোসেন
সীতাকুণ্ড  প্রতিনিধি

sitaknd-progota চট্টগ্রাম, ০৪  নভেম্বর (সিটিজি টাইমস)::  কোনো প্রকার আইন-কানুন না মেনেই সীতাকুণ্ড দেদ্বারছে গড়ে উঠছে জ্বালানী লাইসেসন্সবিহীন তেলের দোকানের। যত্রতত্র লাইসেন্সবিহীন দোকান গড়ে উঠলেও প্রশাসনের রয়েছে নিরব। ফলে একদিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে চোরাই তেল বিক্রি, অন্যদিকে নাশকতাকারীদের জ্বালানী দ্রব্য ব্যবহারের সুযোগ। এছাড়া মহাসড়কের নানা স্থানে অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকান বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈধ ব্যবসায়ীরাও ব্যবসায় লোকসান গুনছে বলে জানা যায়।

দারগাহাট হতে সিটি গেইট এলাকায় মহাসড়ক জুড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকান। এসব দোকানে অকটেন, ডিজেল,পেট্রোল,কোরোসিনসহ বিক্রি হয় সকল প্রকার জ্বালানি দ্রব্য। আবার এসব দোকানের সাথে রয়েছে তেল চোরাইকারবারীদের যোগসাজশ। ফলে রাত নামতেই র্পাকিং করা গাড়িতে চলে তেল চুরির ঘটনা। গাড়ি হতে জ্বালানি দ্রব্য চুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভের চেয়ে লোকসানের ঘানি টানছে গাড়ি মালিকরা।

এছাড়া তেল চুরি কারনে তেল সরবরাহকারী পদ্ম,মেঘনা, যমুনা অয়েল কোম্পানীগুসহ জ্বালানি খাতে ব্যাপক খরচ গুনতে হচ্ছে একাধিক সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে। আবার একই সাথে অবৈধ দোকানের ভেজাল মিশ্রিত তেল-মবিল ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিনে নানা ত্র“টি দেখা দেয় বলে জানান গাড়ির মালিকরা।

পিক-আপ ভ্যানের মালিক বোরহান উদ্দিন বলেন,‘ চালকরা কম দামের ভেজাল তেল ক্রয় করে গাড়িতে ব্যবহার করায় প্রায় সময় ইঞ্জিনে কাজ করাতে হয়। এছাড়া চুরি করে তেল বিক্রি করায় গাড়ি ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে বলে তিনি জানান।

অবৈধভাবে গড়ে উঠা তেল ব্যবসার দ্বারা অপরাধ বৃদ্ধি পেলেও প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই। ফলে অবৈধ ব্যবসায়ীরাও ব্যবসা পরিচালনায় কোনা আইন-কানুনের তোয়াক্কা করছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম জানান, জ্বালানী লাইসেন্স ব্যতীত জ্বালানী বিক্রি করা সম্পূর্ন রুপে বে-আইনী। লাইসেন্স ব্যবতীত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুব শিঘ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত