টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সিআরবিতে ফের সংঘাতে বাবর-লিমন গ্রুপ, পুলিশের গুলি

unnamedচট্টগ্রাম, ০১  নভেম্বর (সিটিজি টাইমস):: চট্টগ্রামে রেলের সদর দফতর সংলগ্ন সিআরবি সাত রাস্তার মোড়ে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ-যুবলীগের দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের ৩ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করলেও তার নাম জানাতে পারেনি।

রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করলে দুই গ্রুপ এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, রেলের টেন্ডারবাজি ও এলাকার অধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নগর যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর ও মহানগর ছাত্রলীগ সাইফুল আলম লিমনের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষ ও বন্দুকযুদ্ধে ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার দুপুরে দুই পক্ষ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সিআরবি এলাকায় অবস্থান নিলে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সিএমপির কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাঁকা গুলি করে।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন জানান, অধিপত্যবিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। একজনকে আটক করেছে।

ওসি আরও জানান, ৩ জন আহত হওয়ার কথা শুনেছি। পুলিশ যাওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে নিয়েছে দলের কর্মীরা। তাই তাদের নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর একই সময়ে সিআরবি এলাকায় দুই গ্রুপ সংর্ঘষে লিপ্ত হলে ৪ জন আহত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, রেলের ৪৮ লাখ টাকার টেন্ডার জমাদানকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালের ২৪ জুন যুবলীগের হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর ও ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম লিমনের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় এক শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছিল। এ ঘটনায় বাবর, লিমনসহ ৫৭ জন গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিল। পরে তারা সবাই জামিনে বেরিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু জানান, যারা টেন্ডারবাজি ও নিজেদের স্বার্থে মারামারি করেছে তারা দলের কেউ না। ইতোমধ্যে তাদেরকে (লিমন ও বাবর) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের দায় দায়িত্ব ছাত্রলীগ বহন করবে না।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত