টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কক্সবাজার সৈকত দখলকারী সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদনের নির্দেশ

ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরা:

কক্সবাজারে সৈকত দখল ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ফকির গ্রুপ, হোটেল সি-ক্রাউন, হোম স্টোনসহ ৭ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২৮ অক্টোবর সোমবার চট্রগ্রাম পরিবেশ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি মো: আসাদুজ্জামান কায়সার জানান, মামলা দায়েরের দীর্ঘ ৪ বছরেও পরিবেশ অধিদপ্তর চুড়ান্ত প্রতিবেদন না দেয়ায় আমরা প্রতিবেদনটি দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছি। তারই প্রেক্ষিতে আদালত দ্রুত সময়ের মধ্যে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত সুত্রে জানা যায়, সাগর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং সৈকত দখল করে বহুতল ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে ২০১১ সালের ১৫ আগস্ট সাতটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইয়ুথ এনভায়রণমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) কক্সবাজারের সভাপতি এম.ইব্রাহিম খলিল মামুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন।
মামলায় ফকির গ্রুপ, সি-ওয়েভ, হোম স্টোন, কক্স টাইটানিক, ক্রাউন প্যাসিফিক, হোটেল সি-ক্রাউন, হোটেল বে-প্যারাডাইসকে অভিযুক্ত করা হয়।
এর পর পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের তৎকালীন পরিদর্শক সাইফুল আশ্রাবকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা চেয়ে চট্টগ্রাম পরিবেশ আদালতে একটি আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা । কিন্তু এর মধ্যে তাঁকে (সাইফুল আশ্রাব) ঢাকায় বদলি করা হলে মামলার তদন্তের গতি অনেকটা থেমে যায়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম।
মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্ব অবহেলায় দীর্ঘ চার বছরেও এ মামলাটির চুড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দেয়া হয়নি। এতে মামলায় অভিযুক্তরা আরো বেশী উৎসাহিত হয়ে পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বলেন, মামলাটির চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তা আদালতে দেয়া হবে।

মতামত