টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ফাঁস হওয়া প্রশ্ন সংগ্রহ করাও অপরাধ!

eduচট্টগ্রাম, ২৩ অক্টোবর (সিটিজি টাইমস):প্রশ্ন ফাঁসকারীদের সঙ্গে প্রশ্ন সংগ্রহ করাকেও অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। প্রশ্ন ফাঁস বন্ধে সরকার নতুন যে আইন আনছে, তাতে এই প্রস্তাব করা রয়েছে। প্রস্তাবিত আইন বিষয়ে জনমত সংগ্রহে বৃহস্পতিবার রাতে তা অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। 

বর্তমান আইনে প্রশ্নফাঁসে চার বছরের জেল এবং জরিমানার যে বিধান রয়েছে, নতুন আইনেও সেটাই বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন এই আইনে প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি না বাড়ানো নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করলে অথবা এই তৎপরতায় জড়িত থাকলে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। একইসঙ্গে কেউ প্রশ্ন সংগ্রহ করে অপরাধে সহায়তা করলে তাকেও অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় কাকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, সে ব্যাপারে পুরনো আইনে স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া নেই। নতুন খসড়া প্রস্তাবে অপরাধীর সংজ্ঞা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।

নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক রাশেদা কে চৌধুরীর বলেন, বর্তমানে যে পরিবেশ বা পরিস্থিতি, সেখানে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয় একটা ব্যাধির মতো হয়ে যাচ্ছে। কোনওভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না। তাতে করে এই শাস্তি একেবারে লঘু হয়ে গেছে।

তবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ৮০ সালের আইনে দশ বছরের সাজা ছিল। বিএনপি সরকারের সময়ে সেই সাজা কমিয়ে চার বছর করা হয়। এখন খসড়া প্রস্তাব নিয়ে শাস্তি বাড়ানোর ব্যাপারে জনগণের মতামত এলে, তা তারা বিবেচনায় নেবেন।

খবর বিবিসি বাংলা

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত