টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ফেনী ও মুহুরী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, প্রশাসন নির্বিকার

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই  প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ২০অক্টোবর (সিটিজি টাইমস): ফেনী ও মুহুরী নদীর বিভিন্ন অংশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট। দীর্ঘ দিন ধরে লাখ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করলেও প্রশাসন নিরব ভুমিকায় রয়েছে। এতে করে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জানা গেছে, ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বিভিন্ন বালু মহাল ইজারার জন্য দরপত্র আহবান করা হলেও মুহুরী নদী বালু মহাল, নিজকুঞ্জরা বালু মহাল, লাঙ্গলমোড়া বালু মহাল ও সোনাপুর বালু মহাল কোন প্রতিষ্ঠান ইজারা নেয়নি।। কিন্তু একটি সিন্ডিকেট ইজারা বিহীন এসব মহালগুলো থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন করে এসএম কনষ্ট্রাকশনের নামে দেদারসে বিক্রি করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসএম কনস্ট্রাকশন ধূম মৌজার ২.২ একর বালু মহাল ইজারা নেয়। কিন্তু ইজারা নেয়া ওই মহাল থেকে কোন প্রকার বালু উত্তোলন না করে তারা ইজারা বিহীন ঘাট থেকে বালু উত্তোলন করছে। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি মেশিন দিয়ে বালুগুলো উত্তোলন করে ফোরকান চৌধুরীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এসএম কনস্ট্রাকশনের নামে মুহুরী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা, লেমুয়া ও সমিতি বাজারের পশ্চিম ও পূর্বপাশে প্রান্তে আব্দুর রশিদ আবু এবং আশেক এলাহী সেলস্ সেন্টার খুলে বিক্রি করছে। এসব সেলস্ সেন্টারে প্রশাসনের কোন অভিযান চোখে পড়েনি। উল্টো ফেনী নদী বালু মহালের উদয় মহাজনের চর ঘাট বৈধভাবে ইজারা নেয়ার পরও সেখানে গিয়ে হয়রানি করছে প্রশাসনের লোকজন। রৌশনআরা এন্টার প্রাইজের সত্ত্বাধিকারী রফিকুল হায়দার চৌধুরী এ মহালটি ২৫ লাখ টাকা (ভ্যাট সহ) দিয়ে ইজারা নেয়। কিন্তু বৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় প্রায় সময় প্রশাসনের লোকজন হয়রানির করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শহীদুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি এ প্রতিবেদকের কল রিসিভ করেননি।

মতামত