টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার আন্তরিক: নৌ মন্ত্রী

নুর ইসলাম ফারুক 

ctg_port_NCT_terminal_1_180831841চট্টগ্রাম, ১৭  অক্টোবর (সিটিজি টাইমস): ‘চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবৃদ্ধি বাড়লে দেশের অর্থনীতি গতিশীল হবে।এজন্য চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে সবধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে সরকার আন্তরিক।’

১৭ অক্টোবর বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহুল আলোচিত নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি উক্ত মন্তব্য করেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাড মিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ (ট্যাজ) এর সভাপতিত্বে এনসিটি’র দুইনম্বর বার্থে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আজম নাছির উদ্দিন, সংসদ সদস্য এমএ লতিফ ও শামসুল হক, সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুলআমিন।

নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলে ও এনসিটি চালু হয়েছে।কত্ত প্রকার বাধা, কত সমালোচনা, কত বিরোধিতা, কোন কিছুই আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে আটকাতে পারেনি। বে-টার্মিনাল, লাল দিয়ার চরে বাল্ক টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে আমরা বন্দরকে সম্প্রসারিত করতে উদ্যোগ নিয়েছি।

দেশের রিজার্ভ বেড়েছে, প্রবৃদ্ধি বেড়ছে, মাথা পিছু আয় ও বেড়েছে।আমরা ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি মিটিয়ে এই চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে ২১লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য রপ্তানি করেছি।

বিশেষ অতিথির আজম নাছির উদ্দিন বলেন, ৮ বছর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় টার্মিনালটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে ও কাজ শুরু করা যায়নি। এতে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি, হয়েছে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে। সব ব্যাপারে শুধু নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষন করলে হবে না।ইতিবাচক ভাবে সব কিছু আমাদের ভাবতে হবে।

এম এ লতিফ বলেন- একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বিরোধিতার কারণে ৮বছর ধরে এনসিটি চালুকরা যায়নি ।অবশেষে সত্যের বিজয় হলো, সুন্দরের বিজয় হলো। বন্দরকে এগিয়ে নেওয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া। এন সি টিতে পণ্য ও ঠানো-নামানোর কাজ শুরুর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর আরও একধাপ এগিয়ে গেল। বন্দরে প্রয়োজন ছাড়া খালিকন্টেনার পড়ে থাকলে সেগুলোর উপর সার চার্জ বৃদ্ধির ও প্রস্তাব করেন তিনি।

সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ বলেন, গতবছর ১৮ দশমিক ৫লাখ টিউস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। প্রতিবছর ১২ থেকে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। গার্মেন্টস খাতের ৫০বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতা নিরলক্ষ্য মাত্রা অর্জন ছাড়া ও ভারত, নেপাল, ভূটানসহবিভিন্ন দেশের সঙ্গে বেশ কয়েকটি চুক্তি হয়েছে। আর এই চাপ সামলাতে হবে চট্টগ্রাম বন্দরকে।

আগে এনসিটির দুটি বার্থ বন্দরের ব্যবস্থায়পনায় পরিচালনা করা হতো। এখন থেকে চারটি বার্থ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে।এনসিটিতে পুরোপুরি কাজ শুরু হলে বছরে ১২লাখ টিউস কন্টেইনার হ্যান্ডে লিং সম্ভব হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য সবধরনের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমীন বলেন, আইনের মধ্য দিয়ে কাজ পরিচালনা করা হয়েছে।শুরু থেকেই আমরা আইন মেনে সকল কাজ করে আসছি।

মতামত