টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আপন ঠিকানায় ফিরে গেল ১০৩ বাংলাদেশী

ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:

চট্টগ্রাম, ১৪  অক্টোবর (সিটিজি টাইমস):  মিয়ানমার থেকে ফিরিয়ে আনা ১০৩ বাংলাদেশীর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ৯৭ জনকে আইওএম’র মাধ্যমে পরিবারের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

অভিবাসন প্রত্যাশী এসব বাংলাদেশীদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং তাদের জবানবন্দী নিয়ে ১৪ অক্টোবর বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ এদের স্ব স্ব পরিবারের কাছে ‘নিজ জিম্মায়’ পাঠিয়ে দেন।

এর আগেরদিন মঙ্গলবার রাতে ১০৩ জন থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ জনকে রেডক্রিসেন্টের মাধ্যমে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।

বুধবার দুপুরে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এক প্রেস ব্রিফিং-এ কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার ছত্রধর ত্রিপুরা জানান, এসব অভিবাসীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদকালে তাদের কাছ থেকে কক্সবাজারের ২৮জনসহ ১০৩জন দালালের নাম পাওয়া যায়। এসব দালালরাই তাদেরকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে সমুদ্রগামী ট্রলারে তুলে দিয়েছিল। এসব দালালদের বিরুদ্ধে ১৭টি জেলায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ মুনীর জানিয়েছেন, ১০৩ জনের মধ্যে ১৭ জেলার বাসিন্দা রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সবাই বাড়ি পৌঁছতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত ২১ মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হয় ২০৮ জন এবং ২৯ মে আরো ৭২৭ জন অভিবাসী প্রত্যাশীদের উদ্ধার করে দেশটির নৌ-বাহিনী। উদ্ধার হওয়া এসব অভিবাসন প্রত্যাশীদের মিয়ানমার প্রথম থেকেই বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি জানিয়ে আসছিল। পরে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্তদের মধ্যে গত ৮ ও ১৯ জুন, ২২ জুলাই এবং ১০ ও ২৫ আগস্ট পাঁচ দফায় ৬২৬ জনকে দেশে ফেরত আনা হয়।

ষষ্ঠ দফায় ১০ অক্টোবর সোমবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমারের মংডুর ঢেকিবুনিয়া বিজিবি-বিজিপি পতাকা বৈঠকের পর ১০৩ অভিবাসন প্রত্যাশীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। এরাসহ এ পর্যন্ত ৭২৯ জনকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত