টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ, আদা, রসুনের দাম বাড়ছে

msalalaচট্টগ্রাম, ১৫ সেপ্টেম্বর (সিটিজি টাইমস):  কোরবানিকে সামনে রেখে পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম আরো বাড়ছে। এসব পণ্যের আমদানি খরচ এবং নগরীর খাতুনগঞ্জ পাইকারী বাজারের মূল্যে রয়েছে বিস্তর তারতম্য। আমদানি খরচের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা করছে ব্যবসায়ীরা। সহসা পেঁয়াজ, রসুন, আদার দর কমার কোনো লক্ষন নেই বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। আমদানি এবং সরবরাহে ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও বাজারে এসব পণ্যের দামের লাগাম টানা যাচ্ছেনা।

নগরীর বৃহত্তম পাইকারী বাজার-খাতুনগঞ্জকেন্দ্রিক কয়েকজন আমদানিকারকের সাথে আলাপকালে জানা যায়, পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য যারা আগস্ট মাসে বুকিং দিয়েছেন তাদের প্রতি টন পেঁয়াজে বুকিং খরচ পড়েছে বাংলাদেশি টাকায় ২৫ হাজার দুইশত আশি টাকা। অর্থাৎ কেজি প্রতি ২৫ টাকা ২৮ পয়সা। দেশে আসার পর বন্দর, কাস্টমস, শিপিং এজেন্ট এবং সি এন্ড এফ বিল ও গাড়ি ভাড়া মিলে কেজি আরো দুই টাকা বেড়েছে।

আমদানিকারকদের এ হিসেবে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি খরচ ২৮ টাকার উপরে নয়। আর আড়ৎদাররা ২৮ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করছে ৪৬ টাকা ৪৮ টাকা। আর একই পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচেছ ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ায় পাকিস্তান, বার্মা, তুরস্ক ও ইথিওপিয়া থেকে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানি করছেন। বার্মা থেকে আমদানি খরচ আরো কম।

আদার বাজারেও তেজ। আমদানিকারক-আড়ৎদার, পাইকারী এবং খুচরা পর্যায়ে বিস্তর ব্যবধান। চায়না আদার আমদানি বুকিং পড়েছে ৭৩ টাকা। পণ্য শুল্কায়ন, খালাস ও গাড়ি ভাড়ায় খরচ বেড়েছে কেজি প্রতি দুই টাকা । আড়ৎদার পর্যায়ে আদা বিক্রি হচেছ ৯০ থেকে ৯২ টাকায়। আর খুচরা পর্যায়ে আদার দাম নগরীর বিভিন্ন বাজারে ১২৫ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, তুলনামূলকভাবে রসুনের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল। চায়না রসুনের আমদানি বুকিং খরচ পড়েছে ৭৫ টাকা। কাস্টমস শুল্কসহ আমদানী খরচ কেজি প্রতি তিন টাকা যোগ করলে কেজি প্রতি রসুনের দাম ৭৮ টাকা। আড়ৎদাররা অবশ্য ৮০ থেকে ৮২ টাকায় বিক্রি করছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে রসুনের দাম ৯০ থেকে একশত টাকার মধ্যে।

খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক নুর হোসেন বলেন, “রসুন আমদানিতে ব্যবসায়ীদের লোকসান গুণতে হচ্ছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসলে পেঁয়াজের দাম সহসা কমার লক্ষণ নেই।”

মতামত