টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

গ্রাহক হয়রানী রোধে মিরসরাই পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

৬২০ টাকা জামানতে ২৬০ গ্রাহককে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগও মিটার প্রদান

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই প্রতিনিধি 

চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর (সিটিজি টাইমস):   মিরসরাইয়ের উপকূলীয় এলাকা পশ্চিম সাহেরখালী। স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ওই এলাকায়। বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া তো তাদের জন্য স্বপ্ন ছিলো। অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান শেষে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো ২৬০টি পরিবার। তাদের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিলো।

তবে নতুন এই বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে গ্রাহক হয়রানীও বাড়তি অর্থ ব্যয়ের হাত থেকে বাঁচতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩, সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিচালক ও অফিস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী ২৬০ পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার প্রদান করা হয়।

স্পট মিটারিং, নতুন সংযোগ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ মিরসরাই’র পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ ডিজিএম (কারিগর) কামরুজ্জামান, সাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা চৌধুরী পল্লী বিদ্যুতের ওএন্ডএম মোহাম্মদ শাহ জাহান, এজিএম (প্রশাসন) মো. এয়াছির আরাফাত, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আলী আকবর, মিরসরাই উপজেলা ইমাম সমিতির প্রচার সম্পাদক মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন দুলাল প্রমুখ।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ মিরসরাই’র পরিচালক দেলোয়ার হোসেন জানান, নতুন মিটারের টাকা জমা ও নতুন সংযোগ পেতে বেশিরভাগ সময় গ্রাহককে মধ্যস্বত্বভোগীর কারনে বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। সাধারনত ৬২০ টাকায় মিটার সংযোগ পাওয়ার কথা থাকলেও দালাল ফড়িয়ারা মিটার প্রতি ২-৩ হাজার টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করে থাকে। মূলত নতুন গ্রাহকদের এসব ভোগান্তি রোধ করতে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সহযোগীতায় বিদ্যুত কর্মচারীরা মাঠপর্যায়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে একই অবস্থান থেকে নতুন সংযোগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল সেবা নিশ্চিত করেন। সোমবার সকালে মিরসরাই পল্লী বিদ্যুত কর্মকর্তা কর্মচারীরা স্বশরীরে পশ্চিম সাহেরখালীতে উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ বুথের মাধ্যমে ধার্য্যকৃত ফি গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নতুন সংযোগ দেওয়ার নামে ব্যাপক চাঁদাবাজিও অনিয়মের অভিযোগ উঠে। নতুন সংযোগ দেওয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ইমেজ সংকটে পড়তে হয়েছে।

মতামত