টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সিগারেটের আগুনে পুড়েছে দেড় কোটি টাকার সম্পদ, আহত ৫

ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:

কক্সবাজার, ০৭ সেপ্টেম্বর  (সিটিজি টাইমস):  কক্সবাজারের রামু উপজেলার রশিদ নগর পানিরছড়া বাজারে সিগারেটের আগুনে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ অন্তত ১০টি স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এতে অন্তত দেড়কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছে। ঘটনায় অগ্নিদগ্ধসহ আহত হয়েছে ৫ব্যক্তি।

আহতরা হলেন, দমকল বাহিনীর কর্মী ওবাইদুল হক (২৮), পানিরছড়া লামার পাড়া এলাকার এনামুল হকের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (২৭), জাহাঙ্গীর আলম (১৬) প্রকাশ নোনামিয়া, ভারুয়াখালী ইউনিয়নের আবুল কাশেম মেম্বার (৪৫) ও হান্নান মেম্বার (৪৬)। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার রাত সাড়ে ৮টায় অগ্নিকান্ড সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে কক্সবাজার ও রামু থানা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ সময় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহা সড়কে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়ে।

দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর রাত সাড়ে ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে স্থানীয় জনতা, পুলিশ ও দমকল বাহিনী।

স্থানীয় হান্নান মেম্বার এর মালিকানাধীন এরশাদ ট্রেডিং জ্বালানী তেলের খুচরা দোকান হতে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত বলে স্থানীয়দের বরাদ দিয়ে রশিদ নগর ইউপি সদস্য ইরফান আকবর চৌধুরী জানিয়েছেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আবদু শুক্কুর জানান, রশিদনগরের পানিরছড়া বাজারে (মামুন মিয়ার বাজার) মেসার্স এরশাদ ট্রেডিং এর তেলের দোকান থেকে আগুন সূত্রপাত। পরবর্তীতে ভয়াবহ আগুন মুহুর্তেই পার্শ্ববর্তী ৭/৮টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

তেলের দোকান মালিক হান্নান মেম্বার জানিয়েছেন, সিগারেটের নিক্ষিপ্ত জ্বলন্ত টুকরো থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার দোকানের অন্তত প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এরশাদ ট্রেডিং এর তেলের দোকানে জ্বালানী তেলভর্তি প্রায় ৭/৮টি ড্রাম ছিল। অগ্নিকান্ডে সবকটি ড্রামে আগুন লেগে বাজারের অন্তত ১০টি দোকানে ভস্মিভূত হয়ে যায়।

এসময় আবুল কাশেম, হান্নান ডালিম, বিকাশ এজেন্ট, ওয়ার্কসপসহ আরো অন্তত ১০টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে প্রায় দেড়কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছে ক্ষতিগ্রস্থরা।

এদিকে রশিদনগরে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদ হোসেনসহ রামু থানা পুলিশ, উপজেলা পরিষদ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কামাল উদ্দিন ভুইয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে কক্সবাজারের ৩টি ইউনিট, চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটসহ দমকল বাহিনীর ৫টি ইউনিট কাজ করেছে। প্রায় দুই ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

মতামত