টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মানিকছড়ির বিতর্কিত ভূমির নিরাপত্তা ছাউনি ভেঙ্গে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

আবদুল মান্নান
মানিকছড়ি প্রতিনিধি 

22চট্টগ্রাম, ৩১ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) ::  মানিকছড়ি ও রামগড় উপজেলার নির্ঝণ জনপদ হাফছড়ি ও বক্রিপাড়ায় পরিত্যক্ত ভূমি জবর-দখল নিয়ে সন্ত্রাসীদের মদদে স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্ঠ উত্তেজনা প্রশমনে অস্থায়ী পুলিশী নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ঝড়-বৃষ্টির কারণে ওই এলাকায় নিয়োজিত টহল পুলিশের জন্য সরকারি অর্থায়ণে নির্মিত অস্থায়ী একটি টিনসেড ছাউনির আশ্রয় নিয়ে ডিউটি করত। কিন্তু গত রবিবার রাতে ওই ছাউনিটি ভেঙ্গে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা! এ নিয়ে আবারও এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্ঠি হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, গত জুলাই-আগস্ট মাসে মানিকছড়ি ও রামগড়ের অরক্ষিত জনপদ হাফছড়ির উত্তর-দক্ষিণ অংশ এবং মানিকছড়ির বক্রিপাড়া, ওয়াকছড়ি,ফকিরনালাতে পরিত্যক্ত ভূমি আবাদ ও মন্দির নির্মাণের নামে দখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উপজাতি ও বাঙ্গালীরা ভূমি রক্ষা কমিটির ব্যানারে সভা-সমাবেশ ও অবরোধ কর্মসূচী পালন করে। উপজাতিদের আন্দোলনে ইউপিডিএফ সম্পৃক্ত হওয়ায় উত্তেজনা বেড়ে যায়। পরে প্রশাসন বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে ওই এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ কিংবা দখল ঠেকাতে অস্থায়ী পুলিশী টহল জোরদার করে। কিন্তু অরক্ষিত এলাকায় কোন বসতি না থাকায় ঝড়-বৃষ্টিতে দায়িত্ব পালনে পুলিশের সমস্যার আশংকায় বক্রিপাড়ায় সরকারি অর্থায়ণে একটি অস্থায়ী টিনসেড চারিদিকে খোলা (বেড়া বিহীন) ঘর করা হয়। সেখানে মাঝে মধ্যে পুলিশ দিনের বেলা টহলে গেলে রোদ-বৃষ্ঠিতে দাঁড়াতে পারতেন। আর রাতে বক্রিপাড়ার অদূরে দোকানে এসে ডিউটি করেন তারা। এতে এলাকায় শান্তি বিরাজ করছিল। কিন্তু হঠাৎ রবিবার রাতে উপজাতি দুর্বৃত্তরা এসে ওই পুলিশি ছাউনিটিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। এতে গুচ্ছগ্রামের বসবাসরত এবং ওই এলাকায় পরিত্যক্ত ভূমির মালিকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়। বাঙ্গালী ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি মো. ইউচুফ লিডার বলেন, উপজাতি সন্ত্রাসীরা অনায়াসে লোকালয়ে আসা-যাওয়া করতেই ঘরটিকে ভেঙ্গে দিয়েছে। যাতে পুলিশ দাঁড়াতে (বৃষ্টিতে আশ্রয়) না পারে। এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থ পরিদর্শন করেছেন। এ প্রসঙ্গে থানার ও.সি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘর ভাংচুরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিরাপত্তার প্রয়োজনে সরকারি অর্থায়ণে জনপ্রতিনিধি কর্তৃক খোলা একটি টিনের ছাউনি বিশিষ্ট ঘর করা হয়েছিল । পুলিশ অরক্ষিত লোকালয়ে টহলে গেলে বৃষ্টি থাকলে ক্ষনিকের জন্য মাঝে-মধ্যে সেখানে আশ্রয় নিত। এর ফলে টহল পুলিশের সমস্যা হবে না।

 

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত