টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চবির কটেজে ছাত্রলীগের লুটপাটের অভিযোগ

চট্টগ্রাম, ২৯ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) :: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২ নম্বর গেট এলাকার ফিরোজা কটেজে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একটি অংশ লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এতে নেতৃত্ব দিয়েছেন চবি ছাত্রলীগের সাবেক মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক এস এম আলাউদ্দিন আলম। ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে।

কটেজের শিক্ষার্থীরা জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা এস এম আলাউদ্দিন আলম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০০৯-১০ সেশনের শিক্ষার্থী আবু তাহের মামুন, বাংলা বিভাগের একই সেশনের ছাত্রলীগ কর্মী মনসুরসহ ছাত্রলীগের ক্যাম্পাস গ্রুপের ১০-১২ জন কর্মী ফিরোজা কটেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর শুরু করেন ও ২-৩ জনের মোবাইল, নগদ টাকা, ল্যাপটপ নিয়ে চলে যান।

লুটপাটের এই ঘটনা পুলিশ, সাংবাদিক ও প্রক্টরকে না জানানোর জন্য হুমকিও দিয়ে যান ওই নেতাকর্মীরা।

তবে ছাত্রলীগের দাবি, শিবির সন্দেহে ২ নং গেটে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করলে তারা দূরে পালিয়ে যান। এরআগে এস এম আলাউদ্দিনের উপর অতর্কিতে হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে শিবিরের কর্মীরা। এই ঘটনা ক্যাম্পাসে জানাজানি হলে ছাত্রলীগের কর্মীরা আসলে তারা পালিয়ে যায়।

এস এম আলাউদ্দিন আলম, আবু তাহের মামুন ও মনসুর মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী সমর্থিত বলে জানা গেছে। গত ১৩ আগস্ট আলাওল হলের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালিয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ও নগদ টাকা লুট করারও অভিযোগ রয়েছে আবু তাহের মামুন ও ক্যাম্পাস ছাত্রলীগ নেতা মনসুরের বিরুদ্ধে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এস এম আলাউদ্দিন আলম বলেন, ‘চবির ২ নং গেটে শিবিরের কর্মীরা আমাকে হামলা করে আহত করে। পরে ক্যাম্পাসে জানাজানি হলে ছাত্রলীগের কর্মীরা এসে আমাকে উদ্ধার করে।’

চবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজনকে এ বিষয়ে জানতে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু বলেন, ‘আমরা এ ধরনের কোনো কিছু জানি না এবং ওইদিকে আমাদের কোনো প্রোগ্রামও ছিল না।’

চবি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) কালাম জানান, শিবির ছাত্রলীগের কয়েকজনকে মারধর করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ২ নং গেটে যায়। কিন্তু সেখানে গেলে ছাত্রলীগই একজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

লুটপাটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এ ধরনের একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছিল, তবে আমরা আসার পর কাউকে লুটপাট করতে দেখিনি।’

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত