টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কোকেন মামলায় ২ আসামির জবানবন্দি

চট্টগ্রাম, ২৭ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) :: কোকেন আমদানি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনের মধ্যে দুইজন বৃহস্পতিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

প্রথমে জবানবন্দি দেন প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল। তিনি বিকেল তিনটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত জবানবন্দি দেন।

এরপর জবানবন্দি দিয়েছেন সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম। দু’জনেরই জবানবন্দি রেকর্ড করেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলম।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (প্রসিকিউশন ) কাজী মুত্তাকি ইবনু মিনান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, জবানবন্দিতে দুই আসামি কী বলেছেন , তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

কোকেন আমদানির মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

তারা হলেন, প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, কসকো শিপিং লাইনের ম্যানেজার এ কে আজাদ, গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মন্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম, সিএন্ডএফ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এবং আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল।

গত ৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার বন্দরে সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সানফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

২৭ জুন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানায়, কেমিক্যাল পরীক্ষায় একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

কনটেইনারটি সিলগালা করার আগে নগর গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে খানজাহান আলী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছিল।

২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলায় সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত