টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মানিকছড়িতে অবৈধ ‘স’ মিল বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন

আবদুল মান্নান
মানিকছড়ি প্রতিনিধি 

চট্টগ্রাম, ১৩ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) :মানিকছড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ‘স’মিলের আড়াঁলে রমরমা কাঠ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। ফলে বৈধ পথে পারমিট নিয়ে কেউ ব্যবসা করতে চায় না। সম্প্রতি সরকার প্রদত্ত লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ অবৈধভাবে মিল স্থাপনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসন একটি ‘স’মিল বন্ধ করে দিয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,উপজেলা সদরসহ আনাচে-কানাচে বনবিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী ১৭টি বৈধ ‘স’ মিল থাকলেও অন্তত ৫/৭টি মিলের মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তারা লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে আবেদনে উল্লেখিত ভূমির (দাগ ও খতিয়ান অনুযায়ী)যথা স্থানে ‘স’মিল না বসিয়ে অবাধে কাছ পাচারের রুট শনাক্ত করে তারা মিল বসিয়ে দেদারসে ব্যবসা করে আসছে। সম্প্রতি এ ধরণের একটি অভিযোগ পেয়ে জেলা প্রশাসক তা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে সত্যতা পায় । যার কারণে ওই মিলের লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়। মিলের মালিক মো. হরমুজ আলী ১৯৯৭ সালে উপজেলার ১০০ নং খতিয়ানের ২৭৫৮ প্রাপ্ত লাইসেন্সে মিল না বসিয়ে ৮৭ নং হোল্ডিং এর ২৭০২ দাগে মিল স্থাপন করে দেদারসে ব্যবসা করছিল। পরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১ জুলাই জেলা প্রশাসক লাইসেন্সটি বাতিল করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যুথিকা সরকার মিলটি সরিয়ে নিয়ে ১৫ কার্যদিবস সময় বেঁধে দিয়ে চিঠি ইস্যু করেন। কিন্তু ওই প্রতারক প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে অমান্য করে দেদারসে কাঠ চেরাই করে আসছিল। যার কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিদের্শে এসিল্যান্ড মো. দিদারুল আলম ও গাড়ীটানা বনবিভাগের রেঞ্জার মো.গোলাম রহমান পুলিশ নিয়ে এসে ‘স’মিলটি বন্ধ করে দেন এবং প্রয়োজনীয় মালামাল,বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এ ধরণের অনিয়মে পরিচালিত আরো অন্তত ৫/৬টি মিলের মালিকরা আতংকিত হয়ে পড়েন। যে কোন কেউ অভিযোগ করলে ওই সব অবৈধ মিলগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম রয়েছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বনবিভাগের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যুথিকা সরকার বলেন, মিরটির মালিক লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছিল। ফলে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় জেলা প্রশাসক মিলের লাইসেন্সটি বাতিল করেন। যার কারণে সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত