টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদার সময় আবেদন খারিজ

kaleda-bnpচট্টগ্রাম, ১০ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি চেয়ে সময়ের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালতে সোমবার এ মামলা দুটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, জয়নুল আবেদীন মেজবাহ ও তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ ছয় সপ্তাহের সময় আবেদন দাখিল করেন। তবে আদালত তা খারিজ করে দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তাই দুই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রাখা হোক।

অপরদিকে বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার যে সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে তা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন দাখিল করবেন বলে আরও একটি আবেদন করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার আজ ১০ আগস্ট মামলার পরবর্তী দিন ঠিক করেন।

বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তর প্যারেড মাঠে বিশেষ এজলাসে সোয়া পাঁচ কোটি টাকা দুর্নীতির এ দুই মামলার বিচার চলছে।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। তেজগাঁও থানার এ মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অন্য মামলাটি দায়ের করে। এতিমদের সহায়তার জন্য একটি বিদেশী ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় এ মামলায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ ২০১০ সালের ৫ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত