টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ইজহার কারাগারে

hefচট্টগ্রাম, ০৮ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) : নগরীর লালখানবাজার জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির, ইসলামী ঐক্যজোটের নেজামে ইসলাম পার্টির একাংশের সভাপতি মুফতি ইজহারুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আব্দুল কাদের এ আদেশ দেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (ডিবি) এসএম তানভির আরাফাত জানান, ‘মুফতি ইজাহারের বিরুদ্ধে খুলশী থানায় তিনটি মামলা আছে। এর মধ্যে বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের ওয়ারেন্ট আছে। ওই ওয়ারেন্ট মূলেই ইজহারকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর নগরীর লালখানবাজারে মুফতি ইজহারুল ইসলাম পরিচালিত জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় গ্রেনেড বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে পাঁচজন আহত হয়ে তিনজন মারা যায়। পরে পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালিয়ে চারটি তাজা গ্রেনেড, ১৮ বোতল এসিড এবং বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে নগরীর খুলশী থানায় বিস্ফোরক আইন, এ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ আইনে ও খুনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের পর আদালত অভিযোগ গঠন করেন এবং মামলাগুলো এখন বিচারের পর্যায়ে রয়েছে।

এছাড়া ইজহারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) কুসুম দেওয়ানকে প্রধান করে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সিএমপির উপকমিশনার (বিশেষ শাখা) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া, উপকমিশনার (উত্তর) পরিতোষ ঘোষ, ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার এসএম তানভির আরাফাত, সহকারী কমিশনার (ডিবি, বন্দর) এবিএম ফয়জুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ডিবি, উত্তর) মো. কামরুজ্জামান এবং পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রউফ ও আতিক আহমেদ চৌধুরী এবং উপ-পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা। ব্লগারসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মুফতি ইজহারের সম্পৃক্ততা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে এ টিম।

গত শুক্রবার বিকেল ৩টার সময় নগরীর লালখানবাজার জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা থেকে ওই গ্রেনেড বিস্ফোরণ মামলাসহ তিন মামলায় গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এতে তিনি খুনসহ পৃথক তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।

মতামত