টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে ঠেকানো যাচ্ছে না পাহাড় ধস ও জলাবদ্ধতা

paniচট্টগ্রাম, ০ ৬ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) : বৃষ্টি হলেই চট্টগ্রামবাসীকে ভাসতে হবে জলে। এটা এক প্রকার নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে স্থবির হয়ে পড়ছে দেশের অর্থনীতির লাইফলাইনখ্যাত বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের কর্মব্যস্ত মানুষের জীবন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম নগরীকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখিয়ে আসছেন। বিশেষ করে মেয়রসহ জাতীয় নির্বাচনের সময় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্বশক্তি নিয়োগ করার কথা বলা হলেও নগরবাসী এখনো ন্যূনতম জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়নি। আবারও জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছেন নগরবাসী। গত সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। 

ঠেকানো যাচ্ছে না পাহাড় ধস ও জলাবদ্ধতা

নগরীর বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, চকবাজার, মোহাম্মদপুর, হামজারবাগ, ২নং গেট, বাকলিয়া, ডিসি রোড, চান্দগাঁও, মিয়াখান নগর, দেওয়ানবাজার, আগ্রাবাদের বড়পোল, ছোটপোল, কোরবানীগঞ্জ, কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা জলাভূমিতে পরিণত হয়েছিল। এসব এলাকার বাসা বাড়ি ছাড়াও বিভিন্ন অফিস, কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। বাসায় পানি ঢুকায় নষ্ট হয়েছে টিভি, ফ্রিজ, ফার্নিচারসহ মূল্যবান সামগ্রী।

জলাবদ্ধতার কারণে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছিল। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছিলেন কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। চট্টগ্রামে শুধু বর্ষা এলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় তা নয়, বর্ষা মৌসুম না থাকলেও জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই মিলে না নগরবাসীর। বছরের বেশিরভাগ সময় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় নগরীর অভিজাত আবাসিক এলাকা আগ্রাবাদ সিডিএ, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকা। এলাকাগুলোতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় প্রতিদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে।

এদিকে নগরীর বাইরের বিভিন্ন উপজেলাও পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে জলাভূমিতে পরিণত হয়েছিল। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, হাটহাজারী, পটিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় কোথায়ও হাঁটু পানি, কোথাও কোমর পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। এসব উপজেলায় কৃষকরা পড়েছেন লাখ টাকার লোকসানে। ধান, বীজসহ নষ্ট হয়েছে জমির ফসল।

যে কারণে এত জলাবদ্ধতা
চট্টগ্রাম নগরীতে বৃষ্টির পানি ধারণ ও নিষ্কাশনে তেমন কোনো সুযোগ নেই। তাছাড়া জোয়ারের পানি প্রবেশে নেই কোনো প্রতিবন্ধকতা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর বেশিরভাগ খাল অবৈধ দখলদারদের হাতে জিম্মি। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় অবৈধ দখলদাররা নগরীর বেশিরভাগ খাল ও নালার উপর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এসব অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে নগরীর খাল নালাগুলো উদ্ধার করতে না পারায় দূর হচ্ছে না জলাবদ্ধতা। তাছাড়া পানি নিষ্কাশনের জন্য চাক্তাই খালের ওপর অধিক নির্ভরতা, খাল ও নালার ওপর দোকানপাট ও বিভিন্ন ভবন নির্মাণ, খাল ও নালা নর্দমায় বর্জ্য নিক্ষেপ, পুকুর, দিঘি, জলাশয়সহ পানি ধারণের স্থানগুলো ভরাটসহ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সিটি করপোরেশনের সঠিক ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও সমন্বয় না থাকায় দূর করা যাচ্ছে না জলাবদ্ধতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন অপরিকল্পিত নগরায়ন বন্ধ করে নদী ও খালগুলো অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে রক্ষা করে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিলে জলাবদ্ধতা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা
চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজারের পাইকারি সবজি বিক্রেতা নাজিম উদ্দিন উত্তরবঙ্গ থেকে সবজি আমদানি করেছিলেন পাঁচ ট্রাক। সম্প্রতি টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় বাজারগুলো ছিল ক্রেতাশূন্য। নাজিম ক্রয়কৃত দামের চেয়ে অর্ধেক দামে কোনোমতে এক ট্রাক সবজি বিক্রি করতে পারলেও বাকি চার ট্রাক সবজি বিক্রি না হওয়ায় মাশুল দিতে হয়েছে দশ লাখ টাকা। শুধু নাজিম উদ্দিন নয়, নগরীর বড় বড় পাইকার থেকে শুরু করে ফুটপাতের ব্যবসায়ী সবাই জলাবদ্ধতার কারণে মাশুল দিচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। দেশের ভোগ্যপণ্যের অন্যতম পাইকারি বাজার চাক্তাই খাতুনগঞ্জে জলাবদ্ধতার কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এতে মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

এদিকে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স বলছে চট্টগ্রাম নগরীতে একদিনের জলাবদ্ধতায় ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয় ১ হাজার ৫শ কোটি টাকা। চট্টগ্রামে ছোট-বড় মিলিয়ে শিল্প-কারখানা রয়েছে প্রায় দশ হাজার। এর মধ্যে ভারী শিল্প-কারখানার সংখ্যা ১ হাজার ২শ। চট্টগ্রামের তিনটি বিসিক শিল্প এলাকা কালুরঘাট, বায়েজিদ ও পাহাড়তলী সাগরিকা বৃষ্টি হলে প্রায় সময় জলে ডুবে থাকে। নগরীর সিটি গেট থেকে সীতাকু- পর্যন্ত এবং কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে ভারী শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে। নগরীতে জলাবদ্ধতার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়লে কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তারা ঠিকমতো কাজে যোগ দিতে পারে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন কর্মকা-। লোকসান গুনতে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। এছাড়া বিভিন্ন শিল্প- কারখানায় পানি ঢুকে যন্ত্রপাতি ও সম্পদ নষ্ট হয়ে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে শিল্প মালিকদের। নগরীর বিভিন্ন বাণিজ্যিক এলাকার খাদ্য গুদামে পানি প্রবেশ করে নষ্ট হচ্ছে গুদামজাত পণ্য।

সড়কের অবস্থা বেহাল
জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলির সড়কগুলোর বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে। নগরীতে একটু বৃষ্টি হলেই সড়কগুলো ছোটখাটো খালে পরিণত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায় নগরীর অন্যতম প্রধান সড়ক আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, পোর্ট কানেকটিং রোড, শেখ মুজিব রোড, বিমানবন্দর সড়ক, ও আর নিজাম রোড, জাকির হোসেন রোড, জুবিলি রোড, এস এস খালেদ রোড, নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোডসহ নগরীর ছোট-বড় বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় সড়কের বেশিরভাগ অংশের বিটুমিন ও পাথর উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জন্ম দিচ্ছে মারাত্মক দুর্ঘটনার। নগরবাসীকে প্রতিনিয়ত পোহাতে হচ্ছে যানজট ও দুর্ভোগ।

ঠেকানো যাচ্ছে না পাহাড় ধস
প্রতি বছর বর্ষা আসবে আর পাহাড় ধসে মানুষ মরবে, এটা এখন চট্টগ্রামবাসীর নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবারও পাহাড় ধসে চট্টগ্রামে মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো ছয়টি নাম। এভাবে প্রতি বছরই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল। প্রতি বছর পাহাড় ধসে চট্টগ্রাম নগরীর খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের মৃত্যু যেন স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি পাহাড় ধস রোধে বর্ষার আগে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে মাইকিং, উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেও সুফল পায়নি। ঠেকানো যায়নি পাহাড় ধসে মৃত্যু। প্রশাসন দিনে উচ্ছেদ করলেও বসবাসকারীরা রাতে পুনরায় পাহাড়ের পাদদেশে চলে যাচ্ছে। মূলত পাহাড়ে বসবাসকারীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না থাকায় মৃত্যু জেনেও তারা পাহাড়গুলোতে বসবাস করছেন।

রাজনৈতিক দলের নেতাদের দখলে পাহাড়
অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পাহাড়ি ভূমি অনেকটা সম্মিলিতভাবে দখলে রেখেছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এই দখলদাররা রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি ভূমি দখল করে পাকা, আধা-পাকা বসতঘর তৈরি করে নিম্ন আয়ের হতদরিদ্র মানুষের কাছে ভাড়া দিয়ে আয় করছে কোটি কোটি টাকা। এই দখলদারদের অর্থের বিনিময়ে আড়ালে থেকে সহযোগিতা করছেন প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তি থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরিয়ে নিলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে প্রভাবশালী পাহাড় দখলবাজরা। এই দখলদারদের বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাহাড়খেকো ভূমিদস্যুরা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। ফলে রোধ করা যাচ্ছে না পাহাড় ধসে মানব মৃত্যুর মিছিল।

Coxsbazar Pahardhos_1বাস্তবায়ন হচ্ছে না সুপারিশসমূহ
প্রতি বছর বর্ষার আগে শক্তিশালী পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির তোড়জোড় শুরু হয়। প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্তা ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন করা হয় নানা কমিটি। কমিটিগুলো এক গাদা সুপারিশমালাও জমা দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। কিন্তু এসব সুপারিশ কোনো সময় বাস্তবায়ন হয় না। ২০০৭ সালের ১১ জুন চট্টগ্রামে দেশের স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড় ধসে ১২৭ জন মারা যাওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে গঠন করা হয়েছিল শক্তিশালী পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি। সরকারি তদন্ত কমিটি ভূমিধসের ২৮টি কারণ চিহ্নিত করে ৩৬ দফা সুপারিশ প্রদান করলেও আট বছরে বাস্তবায়ন হয়নি একটিও। বিপর্যয়ের নেপথ্য কারণ হিসেবে যে ২৮টি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছিল তার মধ্যে পাহাড় ধসের অন্যতম কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল ভারী বর্ষণ, পাহাড়ে বালির আধিক্য, পাহাড়ের উপরিভাগে গাছ না থাকা, গাছ কেটে ভারসাম্য নষ্ট করা, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস গড়ে তোলা, পাহাড় থেকে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না রাখা, সবুজ বনায়নের পদক্ষেপের অভাব, বর্ষণে পাহাড় থেকে নেমে আসা বালি ও মাটি অপসারণে দুর্বলতা ইত্যাদি।

৩৬ সুপারিশের উল্লেখযোগ্য ছিল পাহাড়ে জরুরি বনায়ন, গাইড ওয়াল নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ড্রেন ও মজবুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, পাহাড়ের পানি ও বালি অপসারণের ব্যবস্থা করা, বসতি স্থাপনাসহ টেকসই করা, যত্রতত্র পাহাড়ি বালি উত্তোলন বন্ধ করা, পাহাড়ি এলাকার দশ কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা নিষিদ্ধ করা, পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে হাউজিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না দেওয়া ও পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন কোন এক অদৃশ্য কারণে সুপারিশগুলোর একটিও বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

জানতে চাইলে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইলিয়াছ হোসেন বলেন ‘সুপারিশসমূহ বাস্তবায়ন করার জন্য প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ৫০ বছর ধরে চট্টগ্রামে পাহাড়ের পাদদেশে বসতিগুলো গড়ে উঠায় এবং অনেক বসতি চার-পাঁচতলা বিশিষ্ট হওয়ায় স্থায়ীভাবে সব বসবাসকারীকে সরিয়ে নিতে সময় লাগছে। তিনি আরো বলেন, অবৈধ পাহাড় দখলবাজদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন শতাধিক অবৈধ দখলদারের তালিকা করে তাদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল কবির বলেন, বর্ষাকাল এলেই শুধু পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির তোড়জোড় শুরু হয়। আর সারা বছর কোনো তৎপরতা থাকে না। বাস্তবায়ন হয় না সুপারিশগুলো। তিনি পাহাড়ি ভূমি দখলদারদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনকে আরো তৎপর হওয়ার অনুরোধ জানান।

সাপ্তাহিক এই সময়-এর সৌজন্যে

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত