টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

অধিকাংশ পুরুষ যে ১০টি মিথ্যে বলে

ভালোবাসার মানুষের কাছে সম্ভ্রম বজায় রাখতে ছোটখাট মিথ্যা আমরা সবাই বলে থাকি। সঙ্গীকে সুখী করতে, দ্বন্দ্ব এড়াতে সুবিধাজনক এবং ঝামেলামুক্ত উপায় হিসেবে মিথ্যের যেন বিকল্প নেই। একটি জরিপে দেখা গেছে এ ধরণের মিথ্যা মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশী বলে।

সঙ্গীনির সাথে নির্ভেজাল সম্পর্ক রক্ষার জন্য ছেলেরা সাধারণত যে মিথ্যেগুলো বলে থাকে-

১. আমি কোনো মেয়ের দিকে নজর দিইনি: সঙ্গীনি কাছে থাকা সত্ত্বেও তারা অন্য মেয়েদের দিকে নজর দিবেই। এ ক্ষেত্রে হাতে-নাতে ধরা না পড়া পর্যন্ত তারা তা স্বীকার করবেই না। এমনকি শপিংমল, বিমানবন্দর বা অন্য কোনো জনবহুল জায়গায় আবেদনময়ী, সুন্দরী ও আকর্ষণীয়া নারীদের দেখলেই পুরুষদের নজর সেদিকে যাবেই। কিন্তু তাদের তাকিয়ে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে তারা।

২. আমি ধূমপান করিনি: যদি তাদেরকে ধূমপান বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় অথবা হাতেনাতে ধরে ফেলা হয় তবুও তারা অস্বীকার করে। তারা বলে- চুল, পোষাক বা নিঃশ্বাস থেকে যে সিগারেটের গন্ধ পাওয়া যায় তা আশেপাশের অন্যান্য ধুমপায়ীদের ধোয়া থেকে এসেছে।

৩. শুধু তোমাকে নিয়েই আমি স্বপ্ন দেখি: স্বপ্নময় মুহূর্তগুলোতে তারা যখন কাউকে নিয়ে কল্পনার ভেলায় ভেসে বেড়ায় অথবা যখন তারা স্বমেহনে লিপ্ত হয় তখন সঙ্গীনিকে কল্পনা করেই তারা তা কের। অথবা তারা বিশ্বাস করাতে চেষ্টা করবে যে বর্তমান সঙ্গীনিকে ঘিরেই শুধু তারা স্বপ্ন দেখে এবং আনন্দ খোঁজে। বর্তমান সঙ্গীনিকে তারা বলবে তুমি কীকরে এটা ভাবতে পারলে যে আমার কল্পনায় অন্য কেউ আছে। কিন্তু সত্যি হচ্ছে বর্তমান সঙ্গীনিরা কখনোই তাদের কল্পনায় আশ্রয় পায়না বরং সে হল শুধুই বাস্তব আশ্রয়।

৪. আমি প্রতিষ্ঠানটির জন্য যোগ্য ছিলাম: অনাবশ্যক উপস্থিতি ছাড়া কর্মস্থলকে কিছুই দিতে না পারার ফলে চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও সে সঙ্গীনিকে বলবে আমি সংগঠনটির যোগ্যকর্মী হতে যাচ্ছিলাম।

৫. জিপিএস প্রযুক্তি দিয়ে আমি রাস্তাটির মালিক বনে গেছি: তারা প্রায়ই রাস্তা ভুলে পুরোপুরি হারিয়ে যাবে। কিন্তু অত্যাধুনিক জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে তারা এমন ভান করবে যেন তারা বুঝিবা রাস্তার মালিক বনে গেছে। অথচ সত্যি বলতে প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে না পেরে অনেক পুরুষ পুরোপুরিই পেছনে পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু পুরুষালী অহংকারের কারণে তারা তা কখনোই স্বীকার করে না।

৬. তোমাকে ছাড়া আমি একদিনের বেশী থাকতে পারি না: এটি পুরোপুরি মিথ্যে। সত্য হল সঙ্গীনি বাসা থেকে বের হওয়া মাত্রই পার্টি শুরু হয়ে যায়। অথবা অন্তত পার্টি না হোক সঙ্গীনি ফিরে না আসা পর্যন্ত দিনব্যাপী পার্টির পরিকল্পনা চলতে থাকে!

৭. আমি ঘুমাচ্ছিলাম না, ভাবছিলাম: কাজ অথবা কোনো সিনেমা দেখার সময় ঘুমিয়ে পড়ার ব্যপারটিকে তারা কখনোই স্বীকার করে না। ধরা পড়ে গেলে তারা বলে, আমি ঘুমাচ্ছিলাম না, ভাবছিলাম!

৮. আমি ভুলিনি: কুরিয়ার পাঠানো বা ঘরের কোনো প্রয়োজনে মিস্ত্রী ডাকার কথা তারা ভুলে গেলে তা অস্বীকার করে। এক্ষেত্রে তারা অন্য কোনো জরুরী কাজের অযুহাত দেখায়। কখনোই নিজের ভুল স্বীকার করবে না।

৯. আমি এ নিয়ে সবসময় ভাবি না: এটি একটি অর্ধসত্য। যা নিয়ে ভাবার কথা তারা তা স্বীকার করে না; দেখা যায় বেশীরভাগ সময়েই তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে ভাবে।

১০. আমার চুল কমেনি, মুখের অংশ বেড়েছে: চুল পড়ে যাওয়ার বিষয়টি ছেলেদের অহংকারে মারাত্মক আঘাত হানার মতো। তাই ছেলেরা চুল পড়ার ঘটনা কখনোই স্বীকার করবে না বরং সুকৌশলে বলবে আমার চুল পড়েনি মুখের অংশ বেড়ে গেছে!

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত