টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সীতাকুণ্ডে সিএনজি বন্ধ থাকায় চরম ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

মো. ইমরান হোসেন
সীতাকুন্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 

saveচট্টগ্রাম, ০৪ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা। সীতাকুন্ডের গ্রাম অঞ্চল গুলোতে সবচেয়ে সহজ ও দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যম ছিল সিএনজি চালিত অটোরিক্সা গুলো। কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব সিএনজি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সীতাকুন্ড বাজারমুখী মানুষগুলো সহজে আর বাজারো আসতে পারছেনা। বিশেষ করে মহিলা যাতায়াত মারাত্বক সমস্যা দেখা দেয়ায় শাড়ী, কসমেটিকস্, কোকারিজের দোকান গুলো একেবারেই ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে। সিএনজি বন্ধে সরাসরি ব্যবসা-বানিজ্যে প্রভাব পড়ায় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। চরম ক্ষতি আর লোকসানে কাটাচ্ছে দিন।

সীতাকুণ্ড সদর বাজারের সীতাকুণ্ড শপিং সেন্টার, সমবায় মার্কেট, বিআরবি টাওয়ার, ওসমান গনি শপিং সেন্টার, আনোয়ার প্লাজা, আফরোজা প্লাজা, সীতাকুণ্ড সুপার মার্কেট (সরকারি), দেলু মার্কেট, গুনু মার্কেট, এবি ব্যাংক মার্কেট, ন্যাশনাল মার্কেট, নাহার প্লাজা, গনি মার্কেট, এজিবি মার্কেট, ওসমান গনি সেন্টার, বর্ণালী ক্লাব মার্কেট, বদিউল আলম নিউ মার্কেট, নূরুল আলম নিউ মার্কেট, মসজিদ মার্কেট, আল মদিনা মার্কেট, গ্রীন মার্কেট, নূর সেন্টার, সফি প্লাজা, আহাসুন জামান মার্কেট, আক্তারুজ্জামান মার্কেট, মাতৃভূমি, নজির শাহ প্লাজা, জামান মার্কেট, বড় বাজার ও বীগ বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেটে ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে দেখা যায় গত ১ আগষ্ট থেকে সিএনজি টেক্সি বন্ধ হওয়ার পর থেকে দোকানে ক্রেতা শূন্যতার দরুন তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য শূন্যের কোটায় এসে পড়ে। এসব মার্কেটে ক্রেতাদের মধ্যে ৮০ ভাগই হচ্ছে মহিলা এবং এসমস্ত ক্রেতারা মার্কেটে আসতেন সিএনজি টেক্সি করে। বর্তমানে মহাসড়কে সিএনজি টেক্সি বন্ধ থাকার কারনে মহিলারা পড়ে বিপাকে। মহাসড়কে পিকআপে করে কিছু সংখ্যক পুরুষ যাত্রী চলাচল করলেও কেনাকাটার ব্যাপারে তাদের কোন আগ্রহ নেই।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে নাহার প্লাজার ব্যবসায়ী কবির সওদাগর জানান, তার দোকানে দৈনিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা বিক্রি হলেও বিগত ৪ দিনে দৈনিক এক হাজার টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা বিক্রি হয়।

নিজাম উদ্দিন সওদাগর জানান, তার দোকানে দৈনিক ১০-১২ হাজার টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে ১৫০-৩০০ টাকা বিক্রি হয়। এ ভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে জমি জমা বিক্রি করে ব্যাংকের লোন, কর্মচারীর খরচসহ যাবতীয় সব কিছু বহন করতে হবে। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, বিগত কয়েক দিনে প্রায় ৪ কোটি টাকার মালামাল বিক্রি থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

মতামত