টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

১ সেপ্টেম্বর থেকে নগরীতে রাতে আবর্জনা অপসারন

downloadচট্টগ্রাম, ০৩ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন ০১ সেপ্টেম্বর  থেকে রাতে ময়লা আবর্জনা অপসারনের ঘোষনা দিয়েছেন।

 আজ ০৩ আগষ্ট সোমবার বিকেলে কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন বিভাগের মত বিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষনা দেন।

মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ১১ টার মধ্যে নাগরিকগণ তাদের বাসা, বাড়ী, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, হাসপাতাল সহ যাবতীয় বর্জ্য, আবর্জনা ও ময়লা সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত ডাষ্টবিন ও কন্টেইনারে ফেলতে হবে।

প্রতিদিন রাত ১২টা থেকে ভোর ০৬ টার মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগ আবর্জনা অপসারন কাজ করবে।

এছাড়াও নালা-নর্দমা পরিষ্কারকরন, রাস্তায় ঝাড়– দেয়া এবং গাড়ীতে আবর্জনা লোড করা সহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ড রাতেই সম্পাদন করা হবে।

সিটি মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, স্বাস্থ্য বান্ধব ও নান্দনিক নগরী গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বিশেষ করে ক্লীন ও গ্রীন সিটির স্বার্থেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগষ্ট- থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ খ্রি. পর্যন্ত নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রচার,প্রত্যেক নাগরিকের ঘরে ঘরে প্রচারপত্র বিলি, সøাইট প্রচার, মাইক যোগে প্রচার অব্যাহত থাকবে।

এরপর নির্ধারিত ডাষ্টবিন ও কন্টেইনার ছাড়া রাস্তা-ঘাটে, যত্র-তত্র, যেখানে-সেখানে কেউ-ই বর্জ্য পদার্থ, আবর্জনা ও ময়লা ফেলতে পারবেন না। এ বিষয়গুলো নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর  পর্যন্ত অবহিত করা হবে। যদি তারপরও রাতে নির্ধারিত ডাষ্টবিন ও কন্টে¦ইনারে আবর্জনা না ফেলে নালা-নর্দমায়, খালে-বিলে, যত্র-তত্র, যেখানে-সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলতে দেখা যায় তাহলে ০১ জানুয়ারী .থেকে আইনের প্রয়োগ কার্যকর করা হবে।

যত্রতত্র আবর্জনা ফেলার দায়ে আইনের আওতায় সংশ্লিষ্টদেরকে দন্ডের আওতায় আনা হবে। অপরাধিকে চিহ্নিত করে জেল-জরিমানা সহ বিদ্যমান আইন প্রয়োগ করা হবে। অভিযুক্ত কেউ অপরাধের দায় থেকে রেহাই পাওয়ার কোন সুযোগ থাকবে না।

মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগে কর্মরত কর্মচারীদেরকে তাদের নিজ নিজ ওয়ার্ড জরিপ করে ওয়ার্ডের নালা-নর্দমার সংখ্যা নির্ধারণ, ধারন ক্ষমতা, খালের পরিমান, খালের বর্তমান হালঅবস্থাসহ জলাবদ্ধতার কারন সমূহ চিহ্নিত করা এবং এর সমাধানের প্রস্তাব সহ ০৪ আগষ্ট থেকে ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

মতামত