টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম বন্দরের ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

dudakচট্টগ্রাম, ০৩ আগস্ট (সিটিজি টাইমস) : মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা রাজস্ব আত্মসাৎ মামলায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাত কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ওই চার্জশিট আদালতে দাখিলের জন্য অনুমোদন দেয় কমিশন। শিগগিরই তা আদালতে দাখিল করা হবে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হচ্ছে তারা হলেন- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিবহন বিভাগের ২ নম্বর ইউনিটের (জিসিবি ইয়ার্ড) প্রাক্তন উচ্চ বহি:সহকারী (বর্তমানে আইসিটি, কমলাপুর) শ্যামল কৃষ্ণ ভৌমিক, ১ নম্বর ইউনিটের প্রাক্তন উচ্চ বহি:সহকারী (বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ট্রাফিক পরিদর্শক) প্রদীপ কুমার মহাজন, ১ নম্বর ইউনিটের প্রাক্তন উচ্চ বহি:সহকারী (বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টিএম দফতরের উচ্চ বহি:সহকারী) অধীর কান্তি চক্রবর্তী, বন্দরের প্রাক্তন সহকারী ট্রাফিক পরিদর্শক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ছালেহ জহুর, বন্দর কর্তৃপক্ষের এএসআই (বর্তমানে চাকরিচ্যুত) মো. মিজানুর রহমান, প্রাক্তন নিরাপত্তারক্ষী (বর্তমানে বন্দর কর্তৃপক্ষের হাবিলদার) মো. ছগির আহম্মদ, প্রাক্তন বিশেষ নিরাপত্তাকর্মী (বর্তমানে ট্রানজিট ইয়ার্ড) মো. মনির আহম্মদ ও এ্যাবকো এন্টারপ্রাইজের জেটি সরকার বরুণ কান্তি সেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, এ্যাবকো এন্টারপ্রাইজের কিছু পণ্য আমদানি করা হলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জিসিবি ইয়ার্ড থেকে তা চুরি হয় বলে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করে জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে আবারও ওই প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানিকৃত মালামাল চুরির ঘোষণা দিয়ে অবৈধভাবে বন্দর থেকে মালামাল ছাড় করে দেওয়া হয়। এভাবে এ্যাবকো এন্টারপ্রাইজের নামে আমদানিকৃত বিভিন্ন মালামাল আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে ছাড় করায় সরকারের ৩৪ লাখ ৬২ হাজার ৩৪৪ টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়।

সরকারের রাজস্ব আত্মসাতের এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে ওই আটজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় কমিশন তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত বাকি নয় আসামির বিরুদ্ধে কোন তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার আখেরুজ্জামান এ মামলার তদন্ত করেছেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত