টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

পঞ্চম দিনের খেলাও পরিত্যক্ত, দুই ম্যাচ সিরিজ ড্র

spচট্টগ্রাম, ০৩ আগস্ট (সিটিজি টাইমস):: বৃষ্টির অনাহূত সৃষ্টিতে মাঠের অবস্থা যারপরনাই। পঞ্চম ও শেষ দিন বৃষ্টি হয়নি কিন্তু আউটফিল্ডের যা অবস্থা, তাতে খেলা হলে মাঠের বারোটা বাজত। এখনো অনেক যায়গায় হালকা পানি জমে আছে। এই অবস্থায় শেষ দিন বল মাঠে গড়ানোর আগে ড্র মেনে নিলেন দুই অধিনায়ক। সব মিলিয়ে খেলা হল একদিন!

গতকাল সকাল এগারোটার দিকে বৃষ্টিপড়া বন্ধ হয়। তবু মাঠকর্মীরা নড়াচড়া করছিলেন না। করবেনই বা কেন! বৃষ্টি যে তিনদিন ধরে তাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। শেষ পর্যন্ত কিছুক্ষণ আদুল আকাশে উঁকিঝুঁকি দিয়ে সবাই মাঠে নেমে পড়েন। চাদর সরাতে। ২০ মিনিট বাদে চতুর্থ আম্পায়ার এনামুল হক মনিকে অলস পায়ে মাঠে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তারও মিনিট বিশেক বাদে বাকী আম্পায়াররা চলে আসেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা তখন একপাশে ফুটবল খেলায় ব্যস্ত। দক্ষিণ আফ্রিকানরা হোটেলে ছেড়ে সবেমাত্র বাসে। এভাবে বেলা একটার কিছুক্ষণ পরে জানিয়ে দেয়া হয়, চতুর্থ দিনের খেলাও চালানো সম্ভব নয়। এর আগে একইভাবে শ্রাবণধারায় ভেসে যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন।

এই সফরের শেষ ম্যাচ এটি। অভিজ্ঞতাটা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য সুখকর হল না। টি-টোয়েন্টি জিতলেও ওয়ানডেতে নাকানিচুবানি খেতে হয়েছে আমলাদের। এরপর জলেভাসা চট্টগ্রাম টেস্টেও একই অবস্থা। তবে বৃষ্টির কারণে বড় বিপদের হাত থেকে বেঁচে যায় অতিথিরা। লিড হজম করে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফ্রিকান বাহিনী।

মিরপুরে প্রথম দিনের সকাল অবশ্য ভাল ইঙ্গিত দেয়নি বাংলাদেশের জন্য। ২৪৬ রান তুলতে এদিন আট ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরেন। টপ অর্ডাররা সেট হয়েও দৃষ্টিকটু শটে বলি হন। পাঁচজন ত্রিশ কিংবা তার বেশি রান করে সাজঘরে ফেরেন। এ নিয়ে দশবার বাংলাদেশ এমন কাণ্ড ঘটালো। ২০১৪ সাল থেকে পাঁচবার।

প্রথমদিন শেষ বিকেলে মোহাম্মদ শহীদ আউট হওয়ার পরই দিনের খেলা শেষ করে দেয়া হয়। অপরপ্রান্তে অপরাজিত ছিলেন নাসির হোসেন।

টপ অর্ডারের পাঁচজনের মধ্যে মুশফিকের সংগ্রহ সবচেয়ে বেশি, ৬৫। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুমিনুল হকের, ৪০। ৩৫ করে করেছেন রিয়াদ এবং সাকিব। ৩০ ইমরুলের। সবাই শতাধিক বল খেলেছেন! মুশফিক দুইশর কাছাকাছি, ১৯০টি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত