টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নামলো বিপদ সংকেত

abhaচট্টগ্রাম, ৩১ জুলাই (সিটিজি টাইমস): ঘূর্ণিঝড় কোমেন ক্রমশ দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সর্তকর্তা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে মংলা ও পায়রা বন্দরে পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বরে নামিয়ে আনা হেয়েছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় আবহাওয়া অধিদফরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থল নিম্নচাপটি বর্তমানে নোয়াখালী ও তৎসংলগ্ন স্থলভাগ এলাকায় অবস্থান করছে। এর আগে এটি উপকূল অতিক্রম করার সময় উত্তর দিকে সরে গিয়ে শুক্রবার সকাল ৬টায় সন্দ্বীপের কাছ দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করেছে।

এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও দশটার পর হাতিয়া উপকূল দিয়ে অতিক্রম শুরু করে। উপকূল অতিক্রম করার সময় এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে থাকে।

বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়টি দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়। সে সঙ্গে কমে বাতাসের গতিবেগ। ঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ উপকূলীয় সবগুলো জেলায় গভীর রাত থেকে দমকা হাওয়া এবং মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের খবরে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে মধ্যরাতে উপকূল অতিক্রম করার কথা বলা হলেও রাত ১০টার থেকেই এটি কিছুটা দুর্বল হয়ে উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে। এর আগে কক্সবাজার ও টেকনাফে ঝড়ে গাছ পড়ে তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতেই ঘূণিঝড়টি দুর্বল হওয়ার খবর দেয়া হয়। এতে ঊপকূলীয় এলাকায় ঝড়টির আঘাত হানার শঙ্কা কিছুটা কমে এসেছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং সমুদ্রগামী জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

মতামত