টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম আশঙ্কামুক্ত

abhaচট্টগ্রাম, ৩০ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘণীভূত হয়ে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় কোমেন ক্রমেই দুর্বল হয়ে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ফলে পূর্বের সতর্কবার্তা অনুযায়ী এটি চট্টগ্রাম ও তৎসংলগ্ন উপকূলে আঘাত হানার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়টি নোয়াখালী হয়ে বরিশাল-ভোলার দিকে রাত ৯টার পর অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসে দায়িত্বরত কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন।

ঘূর্ণিঝড়টি এখনো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। যেটি দুপর আড়াইটা নাগাদ ৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করেছির।

সন্ধ্যা ৭টার পর এটির গতিপথ স্পষ্ট করে বলা যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এরপরও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কোমেন এর প্রভাবে চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।

তবে, আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি আপাতত একটি স্থানে স্থির রয়েছে। তবে এখনই বলা যাবে না যে এটি দুর্বল হয়ে গেছে। আরও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সন্ধ্যায় আমরা এটা নিশ্চিত হতে পারবো।’

‘ঘূর্ণিঝড়ের একটা বর্ধিত অংশের জন্য গত রাতে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলে ঝড় বয়ে যায়, আজ কক্সবাজারেও হয়েছে। সন্ধ্যায় এটি চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হানতে পারে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরের জন্য ৭ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল থাকছে’ বলেন পরিচালক।

বিকেল ৩টায় সর্বশেষ আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরের জন্য ৭ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা ও এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

অপরদিকে মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ। উপকূলীয় জেলা বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও ৫ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত