টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

উপকূলীয় এলাকাতেই কোমেন স্থির

abhaচট্টগ্রাম, ৩০ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম বলেছেন, “উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকাতেই স্থির রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’।”

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর আবহাওয়া অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শাহ আলম বলেন, “ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে স্থির অবস্থায় অবস্থান করছে। সন্ধ্যার পর উপকূল অতিক্রম করতে পারে। পরে বৃষ্টি ঝরিয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এটি একটি দুর্বল ঘূর্ণিঝড়। এর বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার হতে পারে। পূর্ণিমার সঙ্গে জোয়ার শুক্রবার পর্যন্ত থেকে যাবে।”

ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে বলা যায় কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শাহ আলম বলেন, “এটি বলা যায় না। ঘূর্ণিঝড়টি স্থির হয়ে আছে। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে না পারলে বৃষ্টি ঝরিয়ে থেমে যাবে।”

শাহ আলম বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের জানমাল রক্ষা করা। সরকার এত ছোট ঘূর্ণিঝড়ের জন্য যে ব্যবস্থা নিয়েছে, তাতে তেমন কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।”

তিনি আরো বলেন, “যদি বাতাসের গতিবেগ ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার অব্যাহত থাকে, তাহলে জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যেতে পারে।”

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।

এ ছাড়া মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সামসুদ্দিন আহমেদ বুধবার রাত ১২টার কিছু আগে এ তথ্য জানান।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং সমুদ্রগামী জাহাজসমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

জলোচ্ছ্বাস ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

এছাড়া বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত