টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়ক যোগাযোগ বন্ধ: নৌকায় যাতায়াত

মীর মাহফুজ আনাম
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি 

fatickchari(bonna)চট্টগ্রাম, ২৭ জুলাই (সিটিজি টাইমস): টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে হালদা নদী , সর্তা, ধুরং, তেলপারই, লেলাং খালের বিভিন্ন ভাঙ্গন দিয়ে পানি ঢুকে তলিয়ে গেছে ফটিকছড়ির নিুাঞ্চল। রোববার সন্ধ্যা থেকে ফটিকছড়ির নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেখানে সড়কের উপর কোমর পরিমান পানি হওয়ায় পাশ দিয়ে নৌকাযোগে চলাচল করছে মানুষ। ভেসে গেছে দুই শতাধিক মৎস্য পুকুর। ভেঙে পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে উপজেলার অভ্যন্তরীণ বহু যোগাযোগ ব্যবস্থা।

সূত্রমতে, গত গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় পানিতে ধ্বসে পড়ে নষ্ট হয়েছে বহু কাঁচা ঘর। পানির নিচে পচে যাচ্ছে বীজতলা। ভেসে গেছে দুই শতাধিক মৎস্য পুকুর। পানিবন্দি হয়ে আছে কয়েকশ পরিবার। সার্বিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনধিরা।

সুয়াবিল ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু তালেব চৌধুরী বলেন, পূর্ব-সুয়াবিল, পশ্চিম-সুয়াবিল, ভাঙ্গাদিঘীরপাড়, মন্দাকিনী গ্রামের বহু পরিবার এখন পানিদে বন্দি। অনেকের কাঁচা ঘর ধসে পড়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি, মসজিদ, কালভার্ট ও রাস্তাঘাট কোমর পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এক প্রকার বন্ধ রয়েছে।

রোসাংগিরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিউল আলম বলেন, ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক মেঠোপথ সম্পূর্ণ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম বলেন, সোমবার থেকে পানি নামতে শুরু করায় বর্তমানে লোকজনের মাঝে কিছুটা সস্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে, ইউনিয়নের দুই তৃতীয়াংশ এখনো পানির নিচে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে ক্ষয়-ক্ষতির বিবরণ সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মতামত