টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সীতাকুণ্ডে ওয়াক্ফ স্টেটের সম্পত্তিতে চলছে হরিলুট

মো. ইমরান হোসেন
সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

 চট্টগ্রাম, ২৫ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  সীতাকুণ্ডে মৃত আবদুল হামিদ ভূইয়ার ওয়াক্ফ সম্পত্তিতে চলছ্ েহরিলুট। পরিচালকের অভাবে এ স্টেটে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে আয়ের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে সু-কৌশলে। মৃত আবদুল হামিদ ভূইয়া সম্পত্তির লুটপাট বন্ধে উত্তরসুরীরা আদালতের স্বরনাপন্ন হয়ে মামলা মোকাদ্দমার আশ্রয় নিয়েছেন। এরপরও ওয়াক্ফ প্রশাসনের সুবিধাভোগী কর্মচারীদের কারণে লুটপাট বন্ধ করা যাচ্ছে না বলে জানান দাতার বংশধররা।

মামলা পরিচালনাকারী পক্ষদয় বলেন,‘ আমাদের পূর্বপুরুষরা একটি মার্কেটসহ বিশাল ভূ-সম্পত্তি সমজিদের নামে ওয়াক্ফ করে যান। কিন্তু এই সম্পত্ত্বি একটি পক্ষ জোরপূর্বক ভোগ দখল করে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন। যে মসজিদের নামে সম্পত্ত্বি সমূহ দান করা হয়েছে, সে মসজিদটি রক্ষনা-বেক্ষনের অভাবে ভেঙে ভেঙে পড়ছে। মামলাসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কমনা করেও দুষ্ট চক্রের লুটপাট হতে মসজিদের এই সম্পত্ত্বি রক্ষা করা যাচ্ছে বলে তারা জানান।

অভিযোগে আরো জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের এই সম্পদ হতে উপার্জিত অর্থ আন্তসাৎ করছে জালাল ইসলাম ভূঁইয়ার ওয়ারিশরা। এস্টের জায়গার উপর ২০০৭ সালে নির্মিত মার্কেট হতে মাসিক ২ লক্ষ টাকার ভাড়ার টাকা ব্যবহার করা হয় পারিবারিক বরন পোষনে।

আবদুল হামিদ ভূইয়ার ওয়াক্ফ এস্টেটি ভোগদখল করছে জালাল ইসলাম ভূইয়ার ছেলেরা। আইনসিদ্ধ না হলেও বংশানুক্রমে জোরপূর্বক মসজিদের মোতোয়াল্লি দাবী করে সম্পদের উপর কর্তৃত্ব বজায় রেখেছেন এসব লোকজন। বিগত ৫০ বছর ধরে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে এস্টেটের পরিচালনা করতে গিয়ে রাখেনি আয়-ব্যায়ের হিসাব। এদিকে মসজিদের মতোয়াল্লী একজন হলেও মাকের্ট পরিচালকের দায়িত্বে থাকে কয়েকজন। এ পরিস্থিতিতে মার্কেটের ভাড়াটিয়ারাও রয়েছেন থাকেন ভীতিকর অবস্থায়।

ওয়্কাফ স্ট্যাটের সম্পত্ত্বি জালাল ইসলাম ভূইয়া মাকের্টের দোকানদাররা জানান, এক সময় একেক জন মাকের্টের ভাড়া আদায় করে। ভাড়া পরিশোধ হওয়ার পরও পূনরায় ভাড়া তোলতে আসে আরেকজন এবং তাকে ভাড়া না দিলে দোকান হতে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়।

দীর্ঘদিন ধরে সম্পদের উপর হরিলুট বন্ধ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চললেও প্রশাসনের পক্ষ হতে কোনো উদ্যোগ গ্রহন না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন মামলার বাদীরা। তবে এসব সম্পত্ত্বি সরাসরি ওয়াক্ফ প্রশাসন পরিচালনা করেন বলে জানান উপজেলা সহাকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুব আলম।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম ওয়াক্ফ প্রশাসনের ইন্সপেক্টর ফরিদ আহম্মদ জানান, অনিয়মের বিষয়টি জানা নেই, এ ব্যাপরে খোজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে প্রতি বছর সরকারী কর আদায় করছে একটি পক্ষ।

মতামত