টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কনস্টেবল পারভেজ খুনের ঘটনায় আটক ছিনতাইকারীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

parvez_1

ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের কনস্টেবল মো. পারভেজ হোসেন খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আটক দুই ছিনতাইকারী।

২৪ জুলাই শুক্রবার তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রার অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলি মজুমদার।

তিনি জানান, কক্সবাজারের জেষ্ঠ্য বিচারক হাকিম শফিউদ্দিন বিকেল ৪টা থেকে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত দুই ছিনতাইকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জানান, আটক ছিনতাইকারী আবু তাহের ও আবদুল মালেক আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে কনস্টেবল পারভেজকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

এদিকে কনস্টেবল মো. পারভেজ হোসেন খুনের ঘটনায় আটক দুই ছিনতাইকারীসহ সাত জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

২৪ জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের কনস্টেবল রাজিব চাকমা বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

কক্সবাজার সদর থানার এসআই মাঈনুদ্দিন মামলার তদন্ত করছেন।

তিনি জানান, ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কনস্টেবল পারভেজ খুনের ঘটনায় সাত জনের নামে মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজন আটক হয়। বাকী আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে সৈকতের লাবণী পয়েন্ট মোড়ে হোটেল মিডিয়ার সামনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের কনস্টেবল মো. পারভেজ হোসেন নিহত হন। পারভেজ হোসেন কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার ইন্দবতি এলাকার বাসিন্দা। পারভেজের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তারা পাঁচ ভাই দুই বোন। এদের মধ্যে পারভেজ তৃতীয়।

খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে খোকন ও গুনুজ্জ্যা নামে আরও দুইজনকে আটক করে পুলিশ। ওই দিন বিকাল ৪টার দিকে শহরের বাদশাঘোনা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

একই দিন বিকাল সাড়ে ৪টায় কক্সবাজার পুলিশ লাইন থেকে কনস্টেবল পারভেজ হোসেনের মৃতদেহ তার আত্মীয় এরশাদুল হকের কাছে হস্তান্তর করেন ট্যুরিস্ট পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোসলেম উদ্দিন। এর পর মৃতদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়।

মতামত