টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

তলিয়ে গেছে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম, ২৪ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  পানিবন্দী হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরবাসী। তলিয়ে গেছে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা। ছুটির দিনে চরম দুর্ভোগে পড়েছে লোকজন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১১৩ দশমিক শূন্য ৮ মিলিমিটার। শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৩৮ দশমিক শূন্য ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ অস্বাভাবিক বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে জোয়ারের পানি যুক্ত হয়ে এ দুর্ভোগ আরো বাড়িয়েছে।

নগরীর অক্সিজেন, হামজারবাগ, মুরাদপুর, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, শুলকবহর, কাতালগঞ্জ, নাসিরাবাদ, বায়োজিদ, ষোলশহর, চকবাজার, পাঁচলাইশ, ডিসি রোড, খাজা রোড, চান্দগাঁও, মোহরা, বাকলিয়া, চাক্তাই, কোরবানিগঞ্জ, মাস্টারপুল, বৌ বাজার, মিয়াখান নগর, রাজাখালী, দেওয়ানবাজার, আগ্রাবাদ, ছোটপুল, বড়পুল, সিডিএ, হালিশহর, পাহাড়তলী, সরাইপাড়া, সাগরিকা, কাঁচারাস্তার মাথা ও পতেঙ্গার নিম্নাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

পানি ঢুকে পড়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিসেও। বাসা-বাড়িতেও কোমর সমান পানি। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ রয়েছে বিকিকিনি। সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় লোকজন ভ্যান গাড়ি ও হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে।

মিয়াখান নগর তক্তারপুল এলাকার বাসিন্দা কুলছুম বেগম বলেন, বাসায় কোমর সমান পানি। বের হওয়ার জো নেই। জোয়ার শুরু হওয়ার পর থেকে পানি আরও বেড়েছে।

বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা জাহেদুল ইসলাম বলেন, বাসায় পানি উঠেনি। তবে সড়কে হাঁটু সমান পানি উঠেছে। বাজারে যাওয়ার জন্য রিকশা খুঁজছি তাও পাচ্ছি না।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটির বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

মতামত