টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ

চট্টগ্রাম, ২৩ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন প্রথম সেশনের পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ রয়েছে। এদিন সকালে বল নিচু হয় আসছিল। মুশফিক-সাকিব বেশ সতর্কতার সঙ্গে ব্যাট চালাচ্ছিলেন। কিন্তু পেরে ওঠেননি মুশফিক (২৮)।স্টেইনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরেছেন। মুশফিক ফেরার পর এই প্রতিবেদন লেখার সময় লিটন দাসকে নিয়ে ৪ রানের লিড নিয়েছেন সাকিব। ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫২। গতকাল ১৭৯ রানের পর বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ থাকে। মুশফিক (১৬) ও সাকিব (১) অপরাজিত ছিলেন।

দ্বিতীয়দিন শেষ বিকেলে দুইবার বৃষ্টি হানা দেয়। ৬৭ ওভারের পরের বৃষ্টিতে খেলা আর শুরু করা সম্ভব হয়নি।

দ্বিতীয়দিন দলীয় ৪৬ রানের মাথায় জিলের বলে ডি-ককের হাতে ধরা পড়েন ইমরুল কায়েস (২৬)। এরপর মুমিনুল হকও এসেই সাজঘরের পথ ধরেন। হারমারকে রুম করে স্লিপ দিয়ে ঠেলতে যেয়ে কুইক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। হঠাৎ দুই উইকেট হারিয়ে চাপেপড়া দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন তামিম-রিয়াদ। ৮৯ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ৫৭ রানের মাথায় এলগারের শিকার হন তামিম। এরপর ৩৪ রানের জুটি গড়তেই মুশফিককে রেখে বিদায় নেন রিয়াদও। ফেরার আগে অবশ্য ৬৭ রানের কার্যকরী একটি ইনিংস খেলে গেছেন বিশ্বকাপের জোড়া সেঞ্চুরিয়ান।

প্রথমদিন বোলাররা চাওয়ার থেকে ঢের বেশি দিয়ে আশার জাল ছুঁড়ে দেন ব্যাটসম্যানদের দিকে। এখন লিড বড় করতে পারলেই হয়। এদিন সাত রান নিয়ে ভালোয় ভালোয় দিন শেষ করেন ইমরুল-তামিম। ৪০০ উইকেটের জন্য প্রহরগোনা ডেল স্টেইনকে প্রথমদিন শেষ বিকেলে বেশ দেখেশুনে খেলেন দুই ওপেনার। দ্বিতীয়দিনও বিশ্বের সেরা এই পেসারকে উইকেটহীন রাখতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে টেস্টে বিশ্বের এক নম্বর দলকে গুড়িয়ে দিতে বড় অবদান বিস্ময় বালক মুস্তাফিজের। দিনের ৬০তম ওভারে বল করতে এসে এক ওভারে পরপর হাশিম আমলা, জে পি ডুমিনি ও কুইন্টন ডি কক-কে তাঁর বিধ্বংসী কাটারে কাত করে অতিথিদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। এবি ডি ভিলিয়ার্সের জায়গায় খেলা প্রোটিয়াদের ইনিংসের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক তেম্বা বাভুমাকেও (৫৪) শিকার তালিকায় যোগ করে নেন তিনি। ওয়ান ডে-র মতো মুস্তাফিজুরের টেস্ট অভিষেকটাও হল দুর্দান্ত। ৪-৩৭। দক্ষিণ আফ্রিকার ১৩৬-১ থেকে ২৪৮ অল আউট হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ তাঁর ওই একটা ওভারই। শেষ দিকের তিন উইকেট নেন লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন। খালি হাতে ড্রেসিংরুমে ফিরলেও শহিদ কিন্তু এ দিন বিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের চুপ করিয়ে রাখেন একই স্পেলে পরপর ছয়টা মেডেন ওভার করে (সব মিলিয়ে নয়টি)। শহিদের দুর্ভাগ্য যে তাঁর বলে স্লিপে ফিল্যান্ডার ও বাভুমার ক্যাচ ফেলে দেন ইমরুল কায়েস। পুরো নব্বই ওভারও খেলতে পারেনি এ দিন দক্ষিণ আফ্রিকা। ৮৩.৪ ওভারেই শেষ হাশিম আমলার দল। তারা শেষ নয় উইকেট হারায় মাত্র ১১২ রানে!

মতামত