টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ চলছে

চট্টগ্রাম, ২২ জুলাই (সিটিজি টাইমস): চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ খানার রৌফাবাদ এলাকায় আলীর পাহাড় থেকে দুই শতাধিক অবৈধ বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে এ উচ্ছেদ অভিযান।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (ভূমি, আগ্রাবাদ) আবু হাসান সিদ্দিক বলেন, “প্রায় ৭০টি ঝুঁকিপূর্ণ ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার বসবাস করত।”

এর আগে মঙ্গলবার দিনভর ওই এলাকায় মাইকিং করা হয়। বুধবারের অভিযানে পাহাড়ের ওপর থাকা অত্যাধিক ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘরগুলো ভাঙা হয়।

আবু হাসান সিদ্দিক বলেন, এর মধ্যে ২০-২৫টি আধা পাকা ঘর ছিল। বাকিগুলো টিনশেড। আধা পাকা ঘরগুলোর এক বা একাধিক দেয়াল ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

“অভিযানে থাকা বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) লোকজন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে এবং পানির লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। তবে গ্যাসের কোনো সংযোগ পাওয়া যায়নি।”

উচ্ছেদ করা বাসিন্দারা পুনর্বাসনে আগ্রহী নয় বলেও জানান আবু হাসান সিদ্দিক।

“তাদের অধিকাংশই বিভিন্ন পোশাক বা শিল্প কারখানায় কাজ করেন। উচ্ছেদের পর অনেকে আত্মীয় স্বজনের বাসায় চলে গেছেন।”

জেলা প্রশাসনের এ অভিযানে সহায়তা করে পুলিশ ও দমকল বাহিনী।

এর আগে সোমবার বায়েজিদ থানার ট্যাংকির পাহাড় আমিন কলোনি থেকে পাহাড়ের পাদদেশের ৫০টি ঘরে বসবাসকারী দেড়শ পরিবারকে উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন।

টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির পর ১৮ জুলাই ঈদের রাত ২টার দিকে বায়েজিদের ট্যাংকির পাহাড়ের মাটি আলগা হয়ে নিচে আমিন কলোনির একটি ঘরের ওপর পড়ে একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু হয়।

শনিবার রাতে প্রায় কাছাকাছি সময়ে নগরীর লালখান বাজারের পোড়া কলোনি এলাকায়ও দেয়াল ধসে দুই শিশুসহ মারা যায় তিন জন।

ঘটনার পর শনিবার লালখান বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন।

চলতি বছরে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ শুরু করে জেলা প্রশাসন। তবে রোজার মাসে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ ছিল।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত