টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর

rojaচট্টগ্রাম, ১৪ জুলাই (সিটিজি টাইমস):: ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর। এশার আযানের পরপরই চট্টগ্রামের মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। নিজেদের গুনাহ মাফ এবং বেশি সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্যদিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন মুসল্লিরা।

মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের পর চট্টগ্রামসহ সারা দেশে মসজিদে মসজিদে ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানেরাও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে লাইলাতুল কদরের এ মহিমান্বিত রাত কাটাচ্ছেন।

ছোট বড় সব বয়সী মানুষ ছুটছেন মসজিদে। অনেককে আবার দল বেঁধে বিভিন্ন মসজিদে ঘুরে ঘুরে নামাজ আদায় করছেন।

হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী, মহিমান্বিত এ রাতের ফজিলতের সঙ্গে অন্য কোনো রাতের তুলনা হয় না। লাইলাতুল কদর বা শবেকদর অর্থ সম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ রাত।

বছরের যে ক’টি দিন ও রাত বিশেষভাবে মহিমান্বিত, তার মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ- এ শবেকদর। পবিত্র রমজানের এ রাতে লাওহে মাহফুজ থেকে নিম্ন আকাশে মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবতীর্ণ হয়। কোরআন নাজিলের মাস হিসেবে রমজান যেমন বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত, তেমনি কোরআন নাজিলের কারণেই শবেকদর অতি ফজিলত ও তাৎপর্য বহন করে।

এ রাতের তাৎপর্য বর্ণনা করে কোরআনে বলা হয়েছে, তুমি জানো, লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করেন।

অসংখ্য হাদিসে শবেকদরের ফজিলত ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি লায়লাতুল কদরে ঈমানের সঙ্গে সওয়াব লাভের আশায় ইবাদত করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

রাসূলুল্লাহ (সা.) পুরো রমজান, বিশেষত রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদরের অন্বেষায় ব্যাকুল হয়ে উঠতেন।

শবে কদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

মতামত