টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

শঙ্কা ঝেটিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মাশরাফিরা

spচট্টগ্রাম, ১২ জুলাই (সিটিজি টাইমস): জিম্বাবুয়ের আয়োজনে আগস্টে এক ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়েই যত শঙ্কার মেঘ জমেছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে রবিবার মিরপুরে এক দাপুটে জয়ে সে শঙ্কা এখন উবে গেছে।

উল্টো এখন উটকো ঝামেলায় পড়তে পারে সিরিজের অন্যতম রূপকার পাকিস্তান। তাদের বিদায় করে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ওই আসরে জায়গা করে নিতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ভারতে হারিয়েই ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলা নিশ্চিত ছিল মাশরাফিদের। এরই মধ্যে সব হিসাব গোলমেলে করে ওই ত্রিদেশীয় সিরিজ। ফলে বাংলাদেশের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি ম্যাচ জেতা অবশ্যই দরকার ছিল।

রবিবার বাংলাদেশ নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই গড়ে নিল। দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলা নিশ্চিত করে ফেলল।

২০১৭ সালের পর আগামী ২০১৯ বিশ্বকাপও হবে ইংল্যান্ডে। এই টুর্নামেন্ট খেলা বাংলাদেশের জন্য তাই বিরাট এক সুযোগ। শুধু অভিজ্ঞতায় নয়, রেটিং পয়েন্ট বাড়িয়ে আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলারও।

এই সিরিজে ম্যাচ বাকি আছে আরো একটি। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ নিশ্চিত করল, সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যাই ঘটুক না কেন, বাংলাদেশের ওয়ানডে রেটিং ৯৩ এর নিচে নামছে না। আর সঙ্গে সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলার লড়াইয়ে বাংলাদেশ চলে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের আওতার বাইরে।

এখন পাকিস্তান নিশ্চয় চাইবে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজটা সর্বোচ্চ ব্যবধানে জিততে। কারণ জিম্বাবুয়েতে শুরু হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি সবগুলো ম্যাচে জেতে, উল্টো বিপদে পড়ে যাবে পাকিস্তানই।

মাশরাফি যদিও বলেছেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলা নিয়ে মাথা ব্যথা নেই, কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবার কাছেই কিন্তু হালকা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিল এই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই। ক্রিকেট খেলাটাকে ক্রমশ সংকুচিত করতে চাওয়া আইসিসির পরিকল্পনার বিরুদ্ধে একটা জোরাল জবাব বাংলাদেশের এই জয়।

ক্রিকেটের তিন মোড়ল, বিশ্বকাপে মাত্র ১০ দেশের খেলা সব মিলিয়ে ক্রিকেটে হয়ে উঠছে শুধুমাত্র তথাকথিত বড় দলগুলোর সম্পত্তি। আট দলের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এখন নিশ্চিতভাবেই আইসিসির এই সব ‘বড় দল’গুলোর দাবিকে অসাড় প্রমাণ করবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত