টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সৈয়দ আশরাফ দপ্তরবিহীন ‘দলের প্রয়োজনে’

চট্টগ্রাম, ১০ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  দলীয় কর্মকাণ্ডে আরো বেশি সময় দেওয়ার জন্যই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রির দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে বলে মনে করছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ওবায়দুল কাদের।

সৈয়দ আশরাফকে হঠাৎ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করার পর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও শুক্রবার বাবুবাজার সেতু এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী কাদের।

কাদের বলেন, ‘হয়ত তিনি (প্রধানমন্ত্রী) মনে করেছেন, সে (সৈয়দ আশরাফ) অতিরিক্ত ভার বহন করছেন। দলে আরো ভাল করে বেশি সময় দেওয়ার জন্য এটা (দপ্তরবিহীন করা) হতে পারে।’

আশরাফকে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নেরও সতর্ক জবাব দেন ওবায়দুল কাদের।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কাউকে কোনো পদে রাখা না রাখা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। সরকার প্রধান যাকে প্রয়োজন মনে করেন তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেন। আর সরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন মনে করলে তাকে সরিয়ে দেন।’

সাধারণ সম্পাদককে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করায় দলে কোনো বিরূপ প্রভাব ‘পড়বে না’ বলেও দাবি করেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘ভালো-খারাপ এ কয় বছর দেশ পরিচালনায় আপনারা (তাকে) দেখেছেন। তার (প্রধানমন্ত্রী) কোনো সিদ্ধান্ত বেঠিক হয়নি।’

উল্লেখ্য, দুদিন ধরে চলা গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়।

গুঞ্জন রয়েছে যে মন্ত্রণালয় ও দলীয় কর্মকাণ্ডে উদাসীনতা দেখিয়ে আসছিলেন সৈয়দ আশরাফ। এতে ক্ষুব্ধ হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দেওয়া হয় স্থানীয় সরকারের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বন্দি হওয়ার প্রেক্ষাপটে দলে সাধারণ সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ভার আসে আশরাফের উপর। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদেরের নাম তার আগে আলোচিত হলেও তার শেষ পর্যন্ত আর তা হয়নি।

মতামত