টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের দূর্ভোগের শঙ্কা : মহাসড়কের সীতাকুন্ড অংশের বেহাল দশা

মো. ইমরান হোসেন
সীতাকুন্ড প্রতিনিধি 

mohashodok-pictureচট্টগ্রাম, ০৮ জুলাই (সিটিজি টাইমস): ঈদের বাকি আর কয়দিন। ঈদে ঘরমুখো মানুষদের দূর্ভোগ ছাড়াই ঘরে ফেরা নিয়ে রয়েছে নানা শঙ্কা। আসন্ন ঈদে কোন দূর্ভোগ ছাড়াই সবাই ফিরতে পারবে যে যার গন্তব্যস্থলে, কয়েকদিন ধরে সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমনটি বলে আসছেন বিভিন্ন স্থানে সড়ক পরিদর্শনে গিয়ে। কিন্তু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড অংশে প্রায় ৪৫ কি:মিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে সহশ্রাধিক খানা-খন্দর। আর এ খানা খন্দের কারনে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন দূর্ঘটনার শিকারের পাশাপাশি ক্ষতি হচ্ছে জানমালের এমনটি জানালেন মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনের ড্রাইভাররা। তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, প্রত্যেকবার ঈদ আসলে এ সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়। ঈদের আগে শুরু হয় মহাসড়কে মেরামত। জীবনের ঝুকি নিয়ে চলতে হয় সারাক্ষণ। গাড়ির পাশাপাশি ক্ষতি হচ্ছে যানমালের।

সীতাকুন্ডে কয়েকদিন আগে টানা ৪ দিনের বৃষ্টিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের এ বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের প্রায় ৪৫ কি: মি: এলাকাজুড়েই রয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। এতে করে রাস্তায় গাড়ী নষ্ট হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। মহাসড়ক ঢেবে যাওয়া খানা খন্দে পানি জমে যাওয়া দূর থেকে বুঝার সাধ্য নেই চাষের জমি না মহাসড়ক।

বিশেষ করে সীতাকুন্ডের পৌর সদরের দক্ষিণ বাইপাস হইতে পন্থিছিলা পর্যন্ত ও বড় দারোগারহাট এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বড় গর্তের। এ কারণে প্রতিনিয়তই ম্যারাথন যানজটে পরিবহণ ও যাত্রী দূর্ভোগ চরমে।

এছাড়াও উপজেলার বড় দারগাহাট হইতে সিটি গেইট পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায় , বড় দারগা হাট ছোট দারগা হাট সীতাকুন্ড বাই পাস উত্তর ও দক্ষিণ, কুমিরা ও, বার আউলিয়া, মাদম বিবির হাট, কনফিডেন্স সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর সামনে, কদম রসুল , বানু বাজার, বিএম গেইট, কালু শাহা ব্রিজ এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় মহাড়কে গর্ত হয়েছে, চায়না কোম্পানী পৌর সদরে কিছু ইট দিয়ে গর্ত ভরাট করে মহাসড়ক চলাচলের উপযোগি করার চেষ্টা চালাতে দেখা গেছে।

সীতাকুন্ড চারলেইনের প্রকল্পের প্রধান মাসুদ করিম জানায়, পুরাতন মহাসড়কে খনাখন্দ থাকায় নির্মানাধীন চার লেইন খুলে দেওয়া হয়েছে। এসব গর্তে প্রতিদিন অসংখ্য গাড়ী দূর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে স্বীকার করে বলেন, খানা-খন্দের ভরাটের কাজ চলছে। আশা করে ঈদে যাত্রীদের কোন ধরনের দূর্ভোগে পড়তে হবে না। কয়েক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত