টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন

rayচট্টগ্রাম, ০৭ জুলাই (সিটিজি টাইমস): দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথকভাবে করা দু’টি মামলায় দুই ধর্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছে আদালত।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো.রেজাউল করিম এ রায় দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পিপি জেসমিনা আক্তার রায়ের বিষয়টি জানিয়েছেন।

দণ্ডিতরা হলেন- নাসির উদ্দিন ও আজম খান। উভয় আসামিই পলাতক আছে।

নাসির উদ্দিন চন্দনাইশ উপজেলার হাতিয়াখোলা লালুটিলা গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।

তার বিরুদ্ধে করা মামলার বিষয়ে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের ৯ এপ্রিল চন্দনাইশ থানায় নাসিরের বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন ওই শিশুর বড় বোন। এতে অভিযোগ করা হয়, নাসির পেশায় একজন কাঠুরিয়া। লালুটিলায় পাহাড়ি জঙ্গল থেকে কাঠ কেটে সে বাজারে বিক্রি করে।

৯ এপ্রিল দুপুরে মাথায় কাঠের বোঝা তুলতে সহযোগিতার কথা বলে ধর্ষিতা শিশু ও তার বড় বোনকে জঙ্গলের ভেতর নিয়ে যায় নাসির। সেখানে বড় বোনকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে নাসির শিশুটিকে ধর্ষণ করে। তারা দু’জন বাড়িতে ফিরে তাদের বড় বোনকে ঘটনাটি বলার পর তিনি চন্দনাইশ থানায় গিয়ে মামলা করেন।

ওই মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালের বিশেষ বিধানের ৬ (১) ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এরপর মোট ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিকে সাজা দিয়েছেন আদালত।

অপর দণ্ডিত আসামি আজম খান সাতকানিয়া উপজেলার মধ্যম এওচিয়ার ফরিদুল আলমের ছেলে। পেশায় সিএনজি অটোরিকশাচালক আজমের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় ছয় বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয় ২০১২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।

এতে অভিযোগ করা হয়, ২৪ সেপ্টেম্বর নিজ গ্রামের প্রতিবেশি শিশুকে ফুসলিয়ে অটোরিকশায় তুলে ধর্ষণ করে আজম। এ ঘটনায় শিশুটির দাদি বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা করেছিলেন।

ওই মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৩ সালের ৭ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এরপর মোট আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিকে সাজা দিয়েছেন আদালত।

মতামত