টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কক্সবাজারে দোকান ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে মালিক-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ: আহত ৫

Cox
ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:
দোকান ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে কক্সবাজার শহরের পানবাজার সড়কে অবস্থিত ফিরোজা মার্কেট ব্যবসায়ীদের সাথে মালিকপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মালিকপক্ষের লোকজনের হামলায় এক দোকানদারসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে।
আহতরা হলেন- ওই মার্কেটের মিনা বাজারের মালিক মু. জাহাঙ্গির আলম, কর্মচারী বেলাল, রুবেল ও সাদ্দাম। আহত অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি। তাদেরকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ নিয়ে ব্যবসায়ী ও মালিকপক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
ব্যাবসায়ীরা জানান, হঠাৎ দুইগুন ভাড়া বাড়িয়ে আমাদের হাতে স্লিপ ধরিয়ে দেয় মালিকপক্ষ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উল্টো তাদের উপর হামলা করে মালিকপক্ষের লোকজন।
ফিরোজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাছির উদ্দিন জানান, পূর্বের কোন নোটিস ছাড়া ভাড়া বাড়ানোর কথা বলে পুরো মার্কেটে তালা লাগিয়ে দেয় মালিকপক্ষ। সকালে দোকান খোলতে না পেরে মার্কেটের মালিকের সাথে কথা বলতে যায় ব্যবসায়ীরা। এ সময় অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি ও মার্কেটে তালা লাগানো নিয়ে কথাকাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মালিকপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা করে। এতে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা আহত হয়।
আহত ব্যসায়ী মু. জাহাঙ্গির আলম জানান, মালিকপক্ষের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী জসিম, তানজির, মারুফসহ অন্তত ২০ জন সন্ত্রাসী ব্যবসায়ীদের হামলা করে। এতে আমিসহ আরো অনেকে আহত হয়।
তবে সংঘর্ষের কথা অস্বীকার করে মার্কেটের মালিক মাহবুবুল আলম মুকুল বলেন, এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। সামান্য ভুল বুঝাবুঝি থেকে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তা সমাধান হয়ে গেছে।
স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মাহবুবুর রহমান মাবু জানান, ঈদের ব্যবসার মৌসুমে মার্কেটে তালা লাগানো কোনভাবে যৌক্তিক নয়। সমস্যা থাকলে টেবিলে সমাধান করা যায়, তালা লাগিয়ে নয়। ভাড়া বৃদ্ধির কথা বলে পুরো মার্কেটে তালা লাগিয়ে দেয়া শুভ হয়নি। এটি ব্যবসায়ীদের উপর জুলুম হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। উভয়পক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করি। সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার কাইয়ুম উদ্দিন বলেন, স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঈদ মৌসুমে এরকম ঘটনা শুভ নয়। উভয়পক্ষকে ডেকে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চলছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত