টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন: মামলার আলামত সংগ্রহ, ১০৭ ড্রাম জব্দ

Kokenচট্টগ্রাম, ০৬ জুলাই (সিটিজি টাইমস):  চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভোজ্যতেলের ভেতর ড্রামভর্তি আনা কোকেনের ১০৭টি ড্রাম থেকে মামলার আলামত সংগ্রহ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার মো.কামরুজ্জামান। একইসঙ্গে ড্রামগুলো জব্দ করা হয়েছে।

সানফ্লাওয়ার তেলের নামে কোকেন আমদানির অভিযোগে গত ৬ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার সিলগালা করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

এর এক মাস পর সোমবার (৬ জুলাই) কোকেনের আলামত সংগ্রহ এবং কনটেইনারে আনা মালামাল জব্দ করল পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকতা নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার (উত্তর) মো.কামরুজ্জামান বলেন, আমরা বন্দরে ঢুকেছি। আলামত সংগ্রহ করছি। তেলের ড্রাম জব্দের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা আছে। আমরা সেটা অনুসরণ করছি।

সোমবার সকাল ১১টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে প্রবেশ করেন।

এর আগে রোববার (৫ জুলাই) তরল কোকেনসহ মামলার আলামত সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট তিন সংস্থার সহযোগিতায় নগর গোয়েন্দা পুলিশকে মামলাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্তেরও নির্দেশ দেন আদালত।

এছাড়া ১০৭টি ড্রাম থেকে আলামত সংগ্রহ এবং সেগুলো জব্দেরও নির্দেশ দেন আদালত।

প্রসঙ্গত গত ৬ জুন রাতে বন্দরে কোকেন সন্দেহে একটি কনটেইনার সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এরপর ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সান ফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

এরপর ২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় ‘আমদানিকারক’ প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় এ পর্যন্ত সোহেলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত