টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মিরসরাইয়ে বেগুনে আগুন ঝাল বেড়েছে কাঁচা মরিচে

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই  প্রতিনিধি

map-ctg-mirsaraiচট্টগ্রাম, ০৫ জুলাই (সিটিজি টাইমস):মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে রমজানের দুএকদিন পূর্বে বেগুনের মুল্য ছিলো ৪০-৫০ টাকা। রমজান মাস আসা মাত্রই কয়েকদিনের ব্যবধানে দাম দ্বিগুন হয়ে দাড়িয়েছে ৮০-১০০ টাকায়। আর রমজানের মাঝামাঝি সময়ে এসে দাম হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা। রবিবার সকালে উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে এ মুল্যে বেগুন বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচেরও। রমজানের আগে ৬০ টাকা ধরে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছেন ১৬০টাকা। এছাড়া ছোলা, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল ও লেবুর দাম মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। চিনি, শসা, আটা, মসুর ডাল, গরুর মাংস ও ব্রয়লার মুরগিতেও অন্তত রমজানের উত্তাপ ততটা নেই।

এবারের রমজানে সবজির ভালো সরবারাহ থাকলেও গত কয়েকদিনে দাম বেড়েছে কয়েকগুন। উপজেলার মিঠাছরা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বরবটি ৭০-৭৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। যা রমজানের একদিন আগে ছিল ৩৫-৪০ টাকা। ঢেরস বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা ধরে। কয়েকদিন পূর্বে বিক্রি হয় ২৫-৩০ টাকা।

জানা গেছে, প্রতি বছর রমজানে ভোগ্য পন্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। কিন্তু সরকারের এসব পদক্ষেপ অতি মুনাফাভোগী ব্যবসায়ীদের কারণে ভেস্তে যায়। রমজানে অতি প্রয়োজনীয় পণ্য সয়াবিন তেলের দাম এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সকল পন্যের দাম বাড়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এখনো উপজেলার কোন মুদির দোকানে পন্যের মূল্য তালিকা টাঙ্গানো হয়নি। নেই কোন মনিটরিং। বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো পন্যের দাম বাড়িয়ে চলছে।

রমজান মাসের শুরুতে বেগুনের দাম অস্বাভাকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ক্রেতারা। বড়তাকিয়া বাজারে গিয়ে একাধিক ক্রেতার সাথে কথা হয়। তাদের একজন মো. বাদশা মিয়া বলেন, প্রতি বছর রমজান মাস এলেই বেগুনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ব্যবসায়ীরা বেগুনের দাম বাড়িয়ে দেয়। কয়েকদিন পূর্বে ৬০ টাকা ধরে বেগুন ক্রয় করলেও এখন তিনগুনের চেয়েও বেশি টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের নজরদারী ও অভিযান দাবী করেন।

একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করেন, প্রতিবছর ভ্রাম্যমান আদালত রমজান মাসে বাজার মনিটরিং করলেও এবছর এ তৎপরতা না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের খুশিমতো বিক্রি করছে। তারা প্রসাশনের তদারকির দাবী জানান।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, অতিরিক্ত মূল্য নেয়া হলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যেমে অভিযান পরিচালনা করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতামত