টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বন্দরে কোকেন : জিজ্ঞাসাবাদে সিএমপিতে ১০ সদস্যের কমিটি

1057চট্টগ্রাম, ০৩ জুলাই (সিটিজি টাইমস):   চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভোজ্যতেলের ভেতর ড্রামভর্তি কোকেন আনার ঘটনায় প্রসিকিউশন টিমের প্রতি আদালতের অসন্তোষ প্রকাশ করার পরের দিন একই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের ‘জিজ্ঞাসাবাদের’ জন্য উচ্চ পর্যায়ের ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে নগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল জলিল মণ্ডল এ আদেশ দেন।

কমিটিতে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার কুসুম দেওয়ানকে প্রধান করে এডিসি (ডিবি) এসএম তানভীর আরাফাত, এসি (ডিবি) কামরুজ্জামান, এসি (বন্দর) জাহাঙ্গীর আলম, বন্দর থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিম ও আকবর শাহ থানার ওসি সদীপ কুমার দাশসহ মোট ১০জন চৌকস পুলিশ অফিসারকে রাখা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ডিবি) এসএম তানভীর আরাফাত  বলেন, ‘ভোজ্যতেলের ভেতর ড্রামভর্তি কোকেন আনার ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উচ্চ পর্যায়ের ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার কোকেন আনার ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনের রিমান্ড শুনানীতে প্রসিকিউশন টিমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত গত ৬ জুন রাতে বন্দরে কোকেন সন্দেহে একটি কনটেইনার সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এরপর ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সান ফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

এরপর ২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় ‘আমদানিকারক’ প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় এ পর্যন্ত সোহেলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত