টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কক্সবাজারে পাহাড় ধস ও দেয়ালচাপায় মা-মেয়েসহ নিহত ৮

112685_1চট্টগ্রাম, ২৬ জুন (সিটিজি টাইমস)::  প্রবল বর্ষণে বন্যায় পানিতে ভেসে, পাহাড় ও দেয়াল ধসে এ পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রামুতেই ৫ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া টেকনাফে ২ জন ও কক্সবাজার শহরে ১ জনের প্রাণহানি হয়।

নিহতরা হলেন- রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লজ উখিয়াঘোনা গ্রামের আমির হোসেনসহ (৪২), গর্জনিয়া ইউনিয়নের ক্যাজর বিল এলাকার বশির মোহাম্মদের মেয়ে কামরুন্নাহার (২০) ও একই গ্রামের এরশাদ উল্লাহর শিশু কন্যা হুমায়রা। টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে দেয়ালচাপায় কোনারপাড়ার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (২৫) ও তাদের শিশু পুত্র মোহাম্মদ জিশান (৪), কক্সবাজার শহরের ঘোনায় পাড়ায় পাহাড় ধসে আবছার (১২)। বাকীদের পরিচয় জানা যায় নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যার পানিতে ভেসে রামুর উপজেলার গর্জনিয়ায় দু’জনের সলিল সমাধি হয়েছে। তারা হলেন- গর্জনিয়া ইউনিয়নের ক্যাজর বিল এলাকার বশির মোহাম্মদের মেয়ে কামরুন্নাহার (২০) ও একই গ্রামের এরশাদ উল্লাহর শিশু কন্যা হুমায়রা।

একইদিনে টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে দেয়ালচাপায় মা-মেয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- দ্বীপের কোনারপাড়ার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (২৫) ও তাদের শিশু পুত্র মোহাম্মদ জিশান (৪)।

অন্যদিকে, কক্সবাজার সদর উপজেলার পাহাড়তলী ও ঘোনারপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে ছয় জন আহত হয়েছেন।

সেন্টমার্টিনের ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালের দিকে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়া আঘাত হানে। ঝড়ো হাওয়ায় ঘরের উপর নারিকেল গাছ চাপা পড়ে মা ও শিশু মারা যায়। এতে আরও কয়েক জন আহত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরের দিকে কক্সবাজার শহরের ঘোনায় পাড়ায় পাহাড় ধসে আবছার (১২) নামে এক শিশু নিহত হয়। এতে তার মাসহ আরও ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ বলা হচ্ছে, জেলায় সব উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। এছাড়া দুর্যোগ মোকাবেলায় শুক্রবার বিকালের এক জরুরি বৈঠক করেছে জেলা প্রশাসন।

মতামত