টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সাকা চৌধুরীর আপিলের শুনানি অব্যাহত

saka-bnpচট্টগ্রাম, ২১ জুন (সিটিজি টাইমস)::মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিল মামলার তৃতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে। আজ রবিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি হয়। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

তৃতীয় দিনে আদালতে সাকা চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দিনের শুরুতে শুনানিতে সাকার বিরুদ্ধে আনা অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যার (তৃতীয় অভিযোগ) পক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপক্ষের ৪র্থ সাক্ষী গৌরাঙ্গ সিংহ ও ৫ম সাক্ষী প্রফুল্লরঞ্জন সিংহের সাক্ষ্য ও জেরার ওপর যুক্তি উপস্থাপন করেছেন সাকার আইনজীবী এস এম শাহজাহান ।

গত ১৬ জুন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখার পরপরই শুরু হয়েছে আপিল বিভাগে সাকার আপিল মামলার শুনানি। এটি আপিল বিভাগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পঞ্চম মামলার শুনানি।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সাকা চৌধুরীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই বছরের ২৯ অক্টোবর খালাস চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন তিনি।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে প্রমাণিত অভিযোগগুলোর মধ্যে চারটিতে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে সাকা চৌধুরীকে। তিনটি অভিযোগের প্রত্যেকটিতে ২০ বছর এবং আর দুটি অভিযোগের প্রতিটিতে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে তাকে। সব মিলিয়ে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও মোট ৭০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে তাকে।

যে চারটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যা, রাউজানের সুলতানপুর গ্রামে তিনজনকে গণহত্যা, রাউজানের ঊনসত্তরপাড়ায় ৫০-৫৫ জনকে গণহত্যা এবং চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মোজাফফর আহম্মদ ও তার ছেলে শেখ আলমগীরকে হত্যা।

মতামত