টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

রাউজানে তিন সড়কের সংস্কার ও তিন সেতু নির্মাণে বদলে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা

এস.এম. ইউসুফ উদ্দিন
রাউজান প্রতিনিধি

Raozan-Road-Picচট্টগ্রাম, ২০ জুন (সিটিজি টাইমস):: রাউজানে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় যুক্ত হয়েছে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নে তিন সড়কের সংস্কার ও তিনটি সেতু নির্মাণ। এলাকার সাংসদ ও রেলপথ মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র বদন্যতায় অবশেষে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ সড়কের কার্পেটিংয়ের সংস্কার কাজ প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ সেতু নির্মাণের ফলে বদলে গেছে এলাকার মানচিত্র, বদলে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই ধরনের অভূতপূর্ব উন্নয়নে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের জনসাধারণের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

সূত্রমতে, উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক ওয়াজ মিয়া সড়ক, বিশুদ্ধানন্দ মহাথের সড়ক ও বড়ঠাকুর পাড়া বাজার টু স্কুল সড়ক প্রায় ৭/৮ বছর আগে কার্পেটিং করা হলেও বিটুমিন কংক্রিট উঠে গিয়ে ছিন্নবিন্ন হয়ে যায়। এতে যান চলাচলতো দুরের কথা লোকজন চলাচলও অনেকটা দুস্কর হয়ে পড়ে। যার দরুন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের উপর এসব সড়ক যেন মরার উপর খরার গা হয়ে দাড়িয়েছে। অন্যদিকে বিশুদ্ধনান্দ সড়কের কাঠাল ভাঙ্গা সেতু, সেরেঙ্গাখাল সেতু ও হযরত মাওলানা শেখ আনছার আলী সড়ক সেতু জীর্ণশির্ন হয়ে একাকার হয়ে যায়। এতেও যান চলাচলে বাধা গ্রস্ত হওয়ায় নতুন করে নির্মাণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ তিন সেতু নির্মাণে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয় হয়। তাই সড়ক সংস্কার ও তিন সেতু নির্মাণের ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন দিগন্তের সুচনা হয়। এতে অনেকে এখন বর্তমান সরকারের উন্নয়নে বিশ্বাস করে আ’লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছে। এ সড়ক ও সেতুটি দীর্ঘদিন পর হলেও তারা সড়ক সংস্কার ও সেতু নির্মাণে এলাকার মানুষ বেশ আনন্দিত ও উদ্বেলিত।

তিন সড়কের সংস্কার কাজের ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাংসদের নির্দেশে এসব কাজ করা হয়। যা অত্যন্ত ভাল ও উন্নতমানের সরঞ্জামাধি ব্যবহৃত হয়। এসব কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন আ’লীগের অর্থ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, এলাকার এ ধরনের উন্নয়ন সত্যিই মডেল। সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর কারনেই এটি সম্ভব হয়েছে।

এলাকার তরুণ রাজনীতিক মোহাম্মদ হোসেন মাহমুদ বলেন, পূর্ব গুজরায় এই ধরনের উন্নয়নে সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও যেন মানুষ উন্নয়নকামি এই ব্যক্তির পাশে থাকে এটাই কামনা করি।

পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ও বড়ঠাকুর পাড়া অটোরিক্সা চালক সমিতির সভঅপতি আব্বাস উদ্দিন বলেন, এলাকার মানুষের এই ধরনের উন্নয়ন এক সময় স্বপ্ন ছিল কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন আমাদের সাংসদ।

প্রবাসি মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘসময় অবহেলিত থাকার পর সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে এসব উন্নয়ন কাজে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও সাংসদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

স্থানীয় আইনজীবি এডভোকেট এম.আনোয়ার চৌধুরী বলেন, পূর্ব গুজরার উন্নয়ন দেখেই বুঝা যায় এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীই উন্নয়নের মহাপুরুষ। চলতি বছরেই এক এলাকায় তিন সেতু, তিন সড়ক ও ব্যাপক উন্নয়নে এলাকাবাসি সত্যিই অবিভুত ও কৃতজ্ঞ।

পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লায়ন সাহাবুদ্দিন আরিফ বলেন, পূর্ব গুজরার এসব সড়কের উন্নয়নে পূর্ব গুজরার পাশাপাশি পশ্চিম গুজরার জনসাধারণও উপকৃত হবে। যার কারনে সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এখন উন্নয়নের মডেল হিসেবে রাউজানের ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।
রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী মো.কামাল উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধিনে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে ওয়ায়েজ মিয়া, বিশুদ্ধনান্দ ও বড়ঠাকুর পাড়া সড়কের সংস্কার ও তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। যে কাজ গুলো অত্যন্ত ভালভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এ ইউনিয়নের জন্য আগামিতেও বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যে গুলো বাস্তবায়ন হলে এলাকাটি নতুনরূপ ধারন করবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত