টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সাইফ পাওয়ারটেকই যোগ্য এনসিটি

bandচট্টগ্রাম, ১৮ জুন (সিটিজি টাইমস):: সাইফ পাওয়ারটেক চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কন্টেইনার টার্মিনাল নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনালের (এনসিটি) ৪ ও ৫ নম্বর বার্থ পরিচালনার জন্য সাইফ পাওয়ারটেককে যোগ্য বিবেচনা করেছে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি।

এই টেন্ডারে সাইফ পাওয়ারটেকের সঙ্গে সহযোগী পার্টনার হিসেবে রয়েছে- চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের মালিকানাধীন এমএইচ চৌধুরী শিপিং লিমিটেড ও নোয়াখালীর সরকার দলীয় এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর মালিকানাধীন এ এন্ড জে ট্রেডার্স নামের দুটি প্রতিষ্ঠান।

গত ৯ জুন আহুত টেন্ডার খোলার পর টেকনিক্যাল ও আর্থিক প্রস্তাব যাছাই বাছাই শেষে এসব প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য বিবেচিত করা হয়।

সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি প্রাথমিকভাবে আমাদেরকে যোগ্য মনে করেছে। এখন মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে আমরা নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনালের ৪ ও ৫ নম্বর বার্থ পরিচালনা করতে পারবো।’

বন্দর সূত্র জানায়, নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনালের পাঁচটি জেটির মধ্যে এক নম্বর জেটি বাদ দিয়ে বাকি চারটিতে বেসরকারি অপারেটর নিয়োগের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়। এরমধ্যে ৪ এবং ৫ নম্বর জেটির জন্য দুই খাম বিশিষ্ট টেন্ডার আহ্বান করা হয়। টেকনিক্যাল খামে যোগ্য বিবেচিত হওয়ার পর সাইফ পাওয়ার টেকের আর্থিক প্রস্তাব বিবেচনা করে যোগ্য নির্বাচিত করা হয়।

সাইফ পাওয়ার টেক আগামী দুই বছর নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনালের দুইটি বার্থ পরিচালনার জন্য ৪৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা দর উল্লেখ করে টেন্ডার দাখিল করেছিল। টেন্ডারের শর্তানুযায়ী নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনালের ৪ ও ৫ নম্বর বার্থ সিটিএমএস প্রযুক্তিসহ পুরোপুরি পরিচালিত হবে।

এদিকে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ২ ও ৩ নম্বর বার্থ পরিচালনার জন্য -সাইফ পাওয়ারটেকসহ মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার জমা দিয়েছে। এগুলো হচ্ছে-সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড, এইচ কে এন্টারপ্রাইজ, এন জে এন্টারপ্রাইজ, ফজলে অ্যান্ড সন্স এবং কনটেইনার টার্মিনাল সার্ভিসেস (সিটিএস)।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে বন্দরের সবচেয়ে বড় এই টার্মিনালটি তৈরি হলেও নানা জটিলতায় সাত বছরেও পুরোদমে চালু করা যায়নি। এটা নির্মানে খরচ হয় প্রায় ৬শ কোটি টাকা। এর হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বছরে ১৫ লাখ টিইউস। এনসিটিতে অপারেটর নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হলেও শুরুতেই নানা জটিলতা, দরপত্র নিয়ে মামলার কারণে তা ঝুলে যায়। সব বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুসারে অন্তবর্তী দু’বছর তা পরিচালনার জন্য বর্তমান দরপত্র আহ্বান করা হয়।

প্রসঙ্গত ২০০১ সালে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এক কিলোমিটার দীর্ঘ জেটি ও নানা সুবিধাসহ এই টার্মিনালে পাঁচ জেটি নির্মাণ করা হয়। এই জেটিতে বড় আকৃতির তিনটি জাহাজ ও মাঝারী আকৃতির পাঁচটি জাহাজ একইসাথে বার্থিং দিয়ে কন্টেনার হ্যান্ডলিং করা যাবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত