টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বিশেষ আদালতে খালেদা, সময় আবেদন

চট্টগ্রাম, ১৮ জুন (সিটিজি টাইমস):: দুর্নীতির দুই মামলায় হাজিরা দিতে বিশেষ আদালতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তিনি গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে সাড়ে ১০টার দিকে বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বলেন, ‘বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসার বিশেষ আদালতে হাজিরা দিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় নিজ বাসা থেকে রওনা দিয়েছেন।’

তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালতে বৃহস্পতিবার মামলা দুটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

এদিকে, সকালে খালেদা জিয়া বিশেষ আদালতে পৌঁছানোর আগেই তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেজবা দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রাখার জন্য আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন।

সময়ের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে মামলার বাদী হারুনুর রশিদ যে সাক্ষী দিয়েছেন, তা বাতিল চেয়ে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করেছি।

অপরদিকে, দুই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রাখার জন্য অপর দুটি আবেদন করা হয়।

টানা কয়েকটি ধার্য তারিখে হাজির না হওয়ায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করলে তাকে জামিন প্রদান করেন আদালত।

দুর্নীতির ওই দু্ই মামলায় ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুবেদ রায়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অপরদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত