টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে বি. চৌধুরী, প্রশ্ন জামায়াতের

bjiচট্টগ্রাম, ১২ জুন (সিটিজি টাইমস):: শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে বিকল্পধারা সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জামায়াত এই প্রতিবাদ জানায়।

একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলে জামায়াত বলেছে, ‘২০-দলীয় জোটের শরিক কোনো দলকে অপর দলের সঙ্গ ছাড়ার পরামর্শ প্রদান মূলত জোট ভাঙ্গারই পরামর্শ দান। এ পরামর্শ দিয়ে বি. চৌধুরী কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চান?’

জামায়াতর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদের এই বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম. আলম।

এতে বলা হয়েছে, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ‘জামায়াত ছাড়ার পরামর্শ’ শিরোনামে কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। আমরা তার এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

হামিদুর রহমান বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার বহাল ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারসহ জাতীয় প্রয়োজনে ২০-দলীয় জোট গঠিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এ জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ শরিক দল।’

তিনি বলেন, ‘জোটের শরিক সকল দলেরই নিজস্ব আদর্শ ও কর্মসূচি রয়েছে। কাজেই এখানে এক দলের ওপর অন্য দলের নির্ভরশীলতার প্রশ্ন সম্পূর্ণ অবান্তর। ২০-দলীয় জোট এক সঙ্গে কর্মসূচি ঘোষণা করছে এবং তা পালন করছে।’

এরপরই জামায়াতের সাবেক এই এমপি বলেন, ‘দেশের জনগণ ২০-দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে। সুতরাং ২০-দলীয় জোটের শরিক কোনো দলকে অপর দলের সঙ্গ ছাড়ার পরামর্শ প্রদান মূলত জোট ভাঙ্গারই পরামর্শ দান। এ পরামর্শ দিয়ে বি. চৌধুরী কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চান?’

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে ঢাকার হোটেল সোনারগাঁওয়ে সাবেক মন্ত্রী এ কে এম মাঈদুল ইসলাম চৌধুরীর লেখা ‘আত্মসত্তার রাজনীতি এবং আমার ভাবনা’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বি. চৌধুরী।

সেখানে তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন তৃতীয় ধাপের রাজনীতি করছে। তাদের রাজনীতি এখন সম্পূর্ণ জামায়াত নির্ভর। বিএনপিকে বাঁচতে হলে জামায়াত নির্ভরতা ছেড়ে আবার জিয়ার আদর্শে ফিরে আসতে হবে।’

প্রকাশনা উৎসবে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার প্রমুখ।

মতামত